শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

টানা বৃষ্টিতে উখিয়া-নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে আবারও সক্রিয় চোরাকারবারি চক্র

উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১৩ জুলাই ২০২৬, ৪:২৭ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ভোরের আকাশ
ভোরের আকাশ

টানা কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিতে কক্সবাজারের উখিয়া ও নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকায় নজরদারির ফাঁকফোকরের সুযোগ নিয়ে সংঘবদ্ধ চোরাকারবারি চক্র আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে।

স্থানীয় একাধিক সূত্রের দাবি, বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য মিয়ানমারে পাচার করা হচ্ছে। একই সাথে ওপার থেকে ইয়াবার চালানও বাংলাদেশে প্রবেশ করছে।

বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে সীমান্ত এলাকায় সাধারণ মানুষের চলাচল কমে যাওয়ায় চোরাকারবারিরা রাতের আঁধারে আরও বেশি সক্রিয় হয়ে ওঠে। উখিয়া ঘাট কাস্টমস, বেতবনিয়া, নয়াপাড়া, পাহাড়পাড়া ও জলপাইতলী এলাকার তিনটি সংঘবদ্ধ চোরাকারবারি চক্রের সদস্যরা গভীর রাত থেকে ভোর পর্যন্ত ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে সীমান্ত দিয়ে পণ্য পারাপার করে। এর মধ্যে একটি দলে ২৮ জন, অন্যটিতে ৭০ জন এবং তজিয়া গ্রুপের সদস্যরা সক্রিয় রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।

রিপোর্টার্স ইউনিটি উখিয়ার সভাপতি ও টাইমস অব বাংলাদেশের সংবাদদাতা রফিক মাহমুদ জানান, উখিয়ার বালুখালী কাস্টমসসংলগ্ন লাল ব্রিজ এলাকা এবং পালংখালী সীমান্তের কয়েকটি পয়েন্ট বর্তমানে চোরাকারবারিদের অন্যতম রুট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এসব পথ দিয়ে চাল, ডাল, ভোজ্যতেল, সার, সিমেন্টসহ বিভিন্ন বাংলাদেশি পণ্য মিয়ানমারে পাচার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে মিয়ানমার থেকে ইয়াবার চালান বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। টানা বৃষ্টির সময় সীমান্তে মানুষের উপস্থিতি কম থাকায় পাচারকারীরা সেই সুযোগ নিচ্ছে। সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্যরা বহনকারী ও দালালদের মাধ্যমে রাতের আঁধারে একাধিক চালান সীমান্ত পার করছে। তাঁর দাবি, প্রায় প্রতিদিনই এ ধরনের কার্যক্রম চলছে।

তিনি আরও বলেন, সীমান্তে পণ্য পাচার ও মাদক চোরাচালান দীর্ঘদিনের সমস্যা হলেও সাম্প্রতিক ভারী বৃষ্টির পর তা আরও বেড়েছে। এতে একদিকে রাষ্ট্র বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে, অন্যদিকে সীমান্ত এলাকায় মাদক ব্যবসা ও সংঘবদ্ধ অপরাধের বিস্তার ঘটছে।

কাস্টমস এলাকার এম. রহমান বলেন, সীমান্তে নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হলেও চোরাকারবারি চক্রের মূল হোতারা অনেক সময় ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যায়। ফলে একজন বা দুজন বাহক আটক হলেও কিছুদিন পর একই চক্র আবারও সক্রিয় হয়ে ওঠে।

আরও পড়ুন

সিরাজগঞ্জে হত্যা মামলায় স্বামী-স্ত্রী ও কন্যাসহ ৫ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

স্থানীয় সচেতন মহল সীমান্তে টহল ও নজরদারি আরও জোরদার করার পাশাপাশি পাচারচক্রের মূল হোতাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে। তাঁদের মতে, সীমান্তের ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করা গেলে পণ্য পাচার ও ইয়াবা চোরাচালান অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

তবে বালুখালী কাস্টমসসংলগ্ন লাল ব্রিজ ও পালংখালী সীমান্ত দিয়ে পণ্য পাচার এবং মিয়ানমার থেকে ইয়াবা প্রবেশের অভিযোগের বিষয়ে কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন ৪৩ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস. এম. খায়রুল আলম, পিবিজিএম, পিএসসি বলেন, মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে। নিয়মিত অভিযানের মাধ্যমে মাদকসহ সীমান্তে অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের আটক করে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।

ভোরের আকাশ/ এনউব

বৃষ্টি

শেয়ার করুন: