শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

বাম্পার ফলনেও দুশ্চিন্তায় বোয়ালমারীর পাট চাষীরা

বোয়ালমারী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১৬ আগস্ট ২০২৬, ৮:২৮ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে পাটের বাম্পার ফলন হলেও সার, কীটনাশক ও শ্রমিকের বাড়তি মজুরির কারণে উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় লোকসানের শঙ্কায় চাষিরা। 

উপজেলা কৃষি অফিস জানায়, এবার ১৬ হাজার ১১২ হেক্টর জমিতে পাট চাষ করা হয়েছে। প্রতি হেক্টরে গড়ে ২ দশমিক ১৫ টন পাট উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। গতবারের তুলনায় এবার ফলনও ভালো হয়েছে। উৎপাদনের বাড়তি খরচের তুলনায় বাজারে পাটের দাম অস্থিতিশীল হওয়ায় লাভের পরিবর্তে মূলধন হারানোর আশঙ্কা করছেন তারা।

কৃষকদের আশঙ্কা, উৎপাদনের শুরুতেই খরচ বেড়ে যাওয়ায় বাজারে পাটের দাম কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে না থাকলে তাদের লাভ তো দূরের কথা, মূলধন ফেরত পাওয়াও কঠিন হবে। তাই ভালো ফলনের পাশাপাশি উৎপাদিত পাটের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করাকেই এখন সবচেয়ে বড় দাবি হিসেবে দেখছেন কৃষকরা।

শেখর ইউনিয়নের বাজিতপুর গ্রামের কৃষক মো. আতিয়ার রহমান বলেন, এবারের পাটের ফলন ভালো হয়েছে। তবে পানি সংকটের কারণে পাট পচাতে কিছুটা সমস্যা হয়েছে। আবার বাতাসে পাটগাছ পড়ে যাওয়ায় কাটতেও বাড়তি কষ্ট হচ্ছে।

আরও পড়ুন

দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে অটোচালক গ্রেপ্তার

দুর্গাপুর গ্রামের কৃষক রুবেল শেখ বলেন, এবার পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে। কিন্তু শ্রমিকের অতিরিক্ত মজুরির কারণে উৎপাদন খরচ অনেক বেড়ে গেছে। বাজারে পাটের ন্যায্যমূল্য না পেলে ভালো ফলনও আমাদের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

বোয়ালমারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলভীর রহমান বলেন, এ বছর উপজেলায় পাটের ফলন ভালো হয়েছে এবং পোকামাকড়ের তেমন উপদ্রব হয়নি। তবে বিপণন ও বাজারদরের বিষয়টি কৃষি বিভাগের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে নেই। কৃষকরা যাতে ন্যায্যমূল্য পান, সে বিষয়ে সরকারের ঊর্ধ্বতন মহলের সঙ্গে কথা বলা হবে।

ভোরের আকাশ/রই

আলভীর রহমান

শেয়ার করুন: