শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

জামালপুরের মেলান্দহে টিকিট কালোবাজারির অভিযোগ

জামালপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৫ এপ্রিল ২০২৬, ৮:৫৬ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলায় রেলওয়ের টিকিট কালোবাজারি নিয়ে নতুন করে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে কুখ্যাত টিকিট কালোবাজারি হিসেবে পরিচিত ফজল কমিশনার এখন আর সরাসরি মেলান্দহ রেলওয়ে স্টেশনে টিকিট বিক্রি না করলেও, ভিন্ন কৌশলে তার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

অভিযোগ রয়েছে, বর্তমানে তিনি শিমুলতলা মোড় এবং তার ভাই নজরুলের তেলের দোকানের সামনে থেকে গোপনে টিকিট বিক্রি করছেন। এতে সাধারণ যাত্রীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। স্টেশনের কাউন্টারে টিকিটের অভাব দেখা গেলেও, এই চক্রের কাছে সহজেই অতিরিক্ত দামে টিকিট পাওয়া যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, মেলান্দহ রেলওয়ে স্টেশনটি জামালপুর জেলার গুরুত্বপূর্ণ একটি যোগাযোগ কেন্দ্র। প্রতিদিন বহু মানুষ কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসার প্রয়োজনে ট্রেনে যাতায়াত করেন। কিন্তু টিকিট সংকট এবং কালোবাজারির কারণে সাধারণ যাত্রীদের দুর্ভোগ দিন দিন বাড়ছে।

মেলান্দহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকা যেমন আদ্রা, মাহমুদপুর ও দুরমুট ইউনিয়নের যাত্রীরাও একই সমস্যার কথা জানিয়েছেন। তারা জানান, টিকিট পেতে হলে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে দ্বিগুণ বা তারও বেশি টাকা গুনতে হচ্ছে।

ভোরের আকাশ/ র.ই


 

অভিযোগনজরুল

শেয়ার করুন: