শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

রায়গঞ্জে আগুনে পুড়ল ৭ দোকান, ক্ষতি প্রায় ৮ লাখ টাকা

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৩১ আগস্ট ২০২৬, ১১:৪২ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: ভোরের আকাশ
ছবি: ভোরের আকাশ

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সাতটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে দোকানগুলোতে থাকা বিভিন্ন মালামালও সম্পূর্ণ পুড়ে নষ্ট হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক হিসাবে, এ ঘটনায় প্রায় ৮ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

সোমবার (৩১ আগস্ট) ভোর রাতে উপজেলার নিমগাছি বাজারের তিন রাস্তার মোড়ে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, ভোর রাতে হঠাৎ একটি দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন আশপাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও আগুনের তীব্রতা দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় তা নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেননি।

খবর পেয়ে তাড়াশ ও রায়গঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে দীর্ঘ সময় চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা পৌঁছানোর আগেই সাতটি দোকান ও ভেতরে থাকা মালামাল পুড়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্ত দোকানগুলোর মধ্যে রয়েছে নিমগাছি গ্রামের সোলেমান তালুকদারের ওষুধের দোকান, চণ্ডিভোগ গ্রামের হায়দার আলীর পান-সিগারেটের দোকান, দিগেন্দ্রনাথ সরকারের ফলের দোকান, সাধন কুমার সরকারের স্বর্ণকারের দোকান, ক্ষুদিরাম সরকারের ফলের দোকান, বিষমডাঙ্গা গ্রামের আতাউরের ফলের দোকান এবং পুল্লা গ্রামের আব্দুলার ফলের দোকান।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, দীর্ঘদিনের পরিশ্রম ও সঞ্চয় দিয়ে গড়ে তোলা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো মুহূর্তের মধ্যে আগুনে পুড়ে গেছে। তাদের অনেকেই ঋণ নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করছিলেন। দোকান ও মালামাল হারিয়ে তারা এখন চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা সরকারি সহায়তার পাশাপাশি সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

তাড়াশ ফায়ার সার্ভিসের ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর মুহাম্মদ মঞ্জুরুল আলম বলেন, প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এতে সাতটি দোকানে আনুমানিক ৮ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে আগুন লাগার প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

ভোরের আকাশ/জেআ

সিরাজগঞ্জ

শেয়ার করুন: