শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সঞ্চয় প্রকল্পের নামে প্রায় ১৯ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

নড়াইল প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৮ জানুয়ারি ২০২৬, ৭:৩১ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: ভোরের আকাশ
ছবি: ভোরের আকাশ

নড়াইলের এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে সঞ্চয় প্রকল্পের নামে প্রতারণার মাধ্যমে প্রায় ১৯ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।এ ঘটনায় তিনি খুলনার র‌্যাব-৬–এর কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগকারী বিপ্লব কুমার বিশ্বাস (৪৫) নড়াইল সদর উপজেলার শোলপুর গ্রামের বাসিন্দা।অভিযোগে তিনি বলেন, সাতক্ষীরা শহরের আবুল কাসেম সড়কে অবস্থিত প্রাণনাথ দাসের নিজস্ব প্রতিষ্ঠান প্রগতি এসআরসিসি লিমিটেডে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা মিলিয়ে মোট ১১টি সঞ্চয় বই খুলে টাকা জমা দেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, বিপ্লব কুমার বিশ্বাস তার নামে একটি সঞ্চয় বইয়ে ৫ লাখ টাকা, পরিবারের সদস্য বৃষ্টি রানী দাসের নামে ৯টি সঞ্চয় বইয়ে মোট ১২ লাখ টাকা এবং বসু দেবের নামে একটি সঞ্চয় বইয়ে ২ লাখ টাকা জমা দেন।সব মিলিয়ে জমাকৃত অর্থের পরিমাণ ১৯ লাখ টাকা।

বিপ্লব কুমার বিশ্বাস অভিযোগে উল্লেখ করেন, প্রাণনাথ দাস তাদের প্রতি লাখ টাকায় মাসে ১ হাজার ৫০০ টাকা লভ্যাংশ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন এবং প্রয়োজন হলে মাস শেষে সঞ্চয় বই ভেঙে টাকা উত্তোলনের সুযোগ থাকবে বলে জানান।শুরুতে কয়েক মাস নিয়মিত লভ্যাংশ দেওয়া হলেও, চলতি বছর থেকে লভ্যাংশ কমিয়ে প্রতি লাখে ১ হাজার টাকা দেওয়া শুরু হয়।

পরবর্তীতে জরুরি প্রয়োজনে জমাকৃত অর্থের মধ্যে ১১ লাখ টাকা উত্তোলনের প্রস্তাব দিলে, প্রাণনাথ দাস গত বছরের আগস্ট মাসের মধ্যে টাকা পরিশোধের আশ্বাস দেন বলে অভিযোগকারীর দাবি।কিন্তু নির্ধারিত সময়ে টাকা না দিয়ে বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন তিনি।

অভিযোগে আরও বলা হয়, চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি সকালে সাতক্ষীরায় প্রাণনাথ দাসের বাসায় গিয়ে টাকা ফেরতের বিষয়ে কথা বলতে গেলে তিনি অভিযোগকারীসহ উপস্থিত গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন এবং ভবিষ্যতে কোনো লভ্যাংশ না দেওয়ার হুমকি দেন।

বিপ্লব কুমার বিশ্বাস জানান, তিনি বিশ্বস্ত সূত্রে জানতে পেরেছেন যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানটির সম্পত্তি গুটিয়ে আত্মগোপনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।এতে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা আর্থিকভাবে চরম সংকটে পড়েছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত প্রাণনাথ দাসের মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, নড়াইলে আমার কোনো আত্মীয় স্বজন  নাই। কাউকে আমি চিনি না।প্রগতি এস, আর, সি,সি নামে আমার কোনো প্রতিষ্ঠান নেই।এসময়  নিজের শারীরিক অবস্থা খারাপ জানিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ফোন কেটে দেন।

ভোরের আকাশ/আ.ব

 

নড়াইলটাকা আত্মসাতঅভিযোগ

শেয়ার করুন: