শিরোনাম
ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৪৭ বিলিয়ন ডলারঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৪৭ বিলিয়ন ডলারঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠক

শয়তানের নিঃশ্বাসে সর্বস্বান্ত ব্যবসায়ী

বরগুনা প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২২ এপ্রিল ২০২৫, ১:৪০ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
শয়তানের নিঃশ্বাসে সর্বস্বান্ত ব্যবসায়ী
শয়তানের নিঃশ্বাসে সর্বস্বান্ত ব্যবসায়ী

বরগুনা পৌরসভার মনোহারী পট্টি এলাকায় এক ব্যবসায়ী ‘শয়তানের নিঃশ্বাস’ (স্কোপোলামিন) চক্রের প্রতারণার শিকার হয়ে ১ লাখ টাকা হারিয়েছেন। রোববার বিকেল ৩টার দিকে ‘মেসার্স হাওলাদার স্টোর’ নামক একটি দড়ি ও জালের পাইকারি ও খুচরা দোকানে এ ঘটনা ঘটে।

সোমবার এ প্রতিবেদককে ভুক্তভোগী দোকান মালিক মো. মামুন মিয়া জানান, দুই ব্যক্তি ক্রেতা সেজে তার দোকানে আসে এবং দড়ি কেনার অজুহাতে কথোপকথনে লিপ্ত হয়। তারা ৪০ টাকার দড়ি কেনে এবং পরে একটি বিদেশি মুদ্রা দেখিয়ে তা কোন ব্যাংকে ভাঙানো যায় সে বিষয়ে জানতে চায়। পাশাপাশি, তারা ১ হাজার টাকার একটি নোট খুচরা চায়। মামুন মিয়া ক্যাশ বাক্স খুলে খুচরা টাকা বের করছিলেন। এক পর্যায়ে ওই দুই ব্যক্তি হঠাৎ তার চোখের সামনে থেকে ক্যাশ বাক্সে থাকা ১ লাখ টাকার একটি বান্ডিল নিয়ে দ্রুত সটকে পড়ে। কিছু সময় পর বিষয়টি বুঝতে পেরে তিনি আশপাশে খোঁজাখুঁজি করলেও প্রতারকদের আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।

দোকানের কর্মচারী মেহেদী হাসান বলেন, আমি অন্য এক ক্রেতার সঙ্গে কথা বলছিলাম, তখন ওই দুই ব্যক্তি মালিকের সঙ্গে কথা বলতে বলতে এই ঘটনা ঘটায়।

পাশের দোকানদার মো. জহির বলেন, আমার পাশের দোকানের মামুন ভাইয়ের সঙ্গে এ ঘটনা ঘটেছে। বরগুনায় প্রায়ই এই ধরনের ‘শয়তানের নিঃশ্বাস’ চক্রের প্রতারণা হচ্ছে। প্রশাসনের উচিত এসব অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করা।

বরগুনা সদর থানার ওসি দেওয়ান জগলুল হাসান জানান, ঘটনার কথা শুনেছি, তবে এখনো ভুক্তভোগী থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ধরনের চক্র সাধারণত বাইরে থেকে এসে দ্রুত অপারেশন চালিয়ে পালিয়ে যায়। তাই এমন কিছু ঘটলে তাৎক্ষণিক পুলিশকে জানানো জরুরি।

ভোরের আকাশ/এসএইচ

শেয়ার করুন: