জুলাই গণহত্যার বিচার ছাড়া নির্বাচন জনগণ মেনে নেবে না: অধ্যক্ষ মোস্তফা কামাল

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বরিশাল অঞ্চল টিম সদস্য, ভোলা জেলার সাবেক আমির ও ভোলা-৪(চরফ্যাশন মনপুরা) আসনের জামায়াতের মনোনীত জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা মোস্তফা কামাল বলেছেন, “অন্তর্বর্তী সরকারকে মনে রাখতে হবে, তারা ২৪ জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের রক্তের ঋণ নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে। জনগণকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল জুলাই গণহত্যার বিচার করবে। কিন্তু সে প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের উদ্যোগ জনগণকে হতাশ করেছে।”
শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বাদ আসর চরফ্যাশন সদর রোডে কেন্দ্রীয় জামায়াতে ইসলামীর ঘোষিত পাঁচ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আয়োজিত মিছিল-পরবর্তী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অধ্যক্ষ মোস্তফা কামাল আরও বলেন, দেশের জনগণ এখন তাদের ভোটাধিকার ও নিরাপত্তার জন্য পিআর পদ্ধতিতে জাতীয় নির্বাচন প্রত্যাশা করছে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, জাতীয় পার্টি ও ১৪-দলীয় জোট আওয়ামী লীগের একতরফা নির্বাচনে অংশ নিয়ে ক্ষমতার অংশীদার হয়েছিল। তারা একদিকে বিরোধী দলের ভূমিকায় ছিল, অন্যদিকে মন্ত্রিত্ব নিয়ে সরকারের শরিক ছিল। তাই ফ্যাসিবাদের অংশীদার হিসেবে জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের শরিকদের নিষিদ্ধ করা উচিত।
তিনি আরও বলেন, “বর্তমান নির্বাচনী মাঠ এখনও সব দলের জন্য সমান সুযোগের নয়। সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য জাতীয় নির্বাচনের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব।”
সমাবেশে চরফ্যাশন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর অধ্যক্ষ মীর মোহাম্মদ শরীফ হোসেন সভাপতিত্বে এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন সুপ্রিম কোর্টের (আপিল বিভাগ) আইনজীবী অ্যাডভোকেট পারভেজ হোসেন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন ঢাকা উত্তরের সভাপতি মাওলানা মো. মহিবুল্লাহ প্রমুখ।
সমাবেশে উপজেলা ও পৌর জামায়াতের কয়েক হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
ভোরের আকাশ/হ.র