শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

খুলনার ৬টি আসনে নির্বাচনী হালচাল

খুলনা প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৭:৪০ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

খুলনা-১ আসনে (দাকোপ-বটিয়াঘাটা) মোট ভোটার ৩ লাখ ৭ হাজার ১০৩ জন। দাকোপ হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ উপজেলা। এখানে ৫৪ দশমিক ৪৪ শতাংশ বাসিন্দাই হিন্দু। বটিয়াঘাটা উপজেলার ২৭ দশমিক ৫৬ শতাংশ বাসিন্দা হিন্দু সম্প্রদায়ের। ফলে এই আসনে হিন্দুদের ভোটেই জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়। আসনটিতে বরাবরই আওয়ামী লীগের প্রার্থী জিতে যান। এবার এই আসনে হিন্দু প্রার্থী হয়েছেন আট জন। বেশি প্রার্থী থাকায় কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে আছেন বিএনপির আমির এজাজ খান। তার শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আছেন জামায়াতের প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী। তিনি জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী।

কৃষ্ণ নন্দী বলেন, ‘জামায়াত ক্ষমতায় এলে হিন্দুদের ভারত যেতে হবে না, এ দেশে হিন্দুরা জামাই-আদরে থাকবে। কাজেই দাকোপ-বটিয়াঘাটার মানুষ এবার আমাকেই ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবে। জয়ের ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদী।’

খুলনা-২ (সদর) আসনে বিএনপির কোন্দল প্রকাশ্যে। তবে ব্যক্তি ইমেজ এবং প্রবীণ রাজনীতিবিদ হিসেবে বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুর গ্রহণযোগ্যতা আছে। তার সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলালের প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

খুলনা বড় বাজারের ব্যবসায়ী খলিল বলেন, ‘নজরুল ইসলাম মঞ্জু একজন সৎ, বিচক্ষণ ব্যক্তি। তিনি নির্বাচিত হলে খুলনার রাজনীতিতে একটা ভারসাম্য হবে।’

স্থানীয় বাসিন্দা মামুন সেখ বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামীর শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল বয়সে তরুণ। তিনি ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর। তবে এই আসনে জামায়াতের ভোট বেড়েছে অনেক। লড়াই হতে পারে।’

শিল্পাঞ্চল হিসেবে খ্যাত খুলনা-৩ আসনে বিএনপির রকিবুল ইসলাম বকুল, জামায়াতের মোহাম্মাদ মাহফুজুর রহমান এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আ. আউয়ালের মধ্যে ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস দিয়েছেন ভোটাররা। এ ছাড়া বিএনপি থেকে এনসিপিতে যাওয়া স্বতন্ত্র প্রার্থী এস এম আরিফুর রহমান মিঠুর নোয়াখালী ও চট্টগ্রাম ইজমের ভোট রয়েছে। তবে মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হবে বিএনপি এবং জামায়াতের।

খুলনা-৪ আসন বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে বিবেচিত। ফলে বিএনপির এস কে আজিজুল বারী হেলাল সুবিধাজনক অবস্থানে আছেন বলে ভোটাররা জানিয়েছেন। জামায়াতে ইসলামীর শরিক জোটের জন্য আসনটি ছেড়ে দেওয়ায়  খেলাফত মজলিসের এস এম সাখাওয়াত হোসাইনের (দেয়াল ঘড়ি) সঙ্গে বিএনপির মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে। কারন জামায়াতের পূর্ণ সমর্থনে তার অবস্থান অনেক ভালো।

খুলনা-৫ আসন এবার বেশ আলোচিত। হিন্দু-অধ্যুষিত এই আসনে দুই শক্তিশালী প্রার্থী জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল গোলাম পরওয়ার এবং সাবেক বিসিবি পরিচালক বিএনপির মোহাম্মাদ আলী আসগার লবীর মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। গোলাম পরওয়ারের অবস্থা অনেকটাই ভালো বলে জানান ভোটাররা। তবে হিন্দুদের বাগে আনতে দিনরাত কাজ করছেন বিএনপির প্রার্থী।

জানতে চাইলে গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘২০০১ সালে সংসদ সদস্য হয়ে এলাকার রাস্তাঘাট, মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দিরের ব্যাপক উন্নয়ন করেছি। কাজেই সেই মূল্যায়নটা এবার ভোটাররা করবেন।’
মোহাম্মাদ আলী আসগার লবী বলেন, ‘এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে এবার ভোটাররা আমাকেই ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন বলে আশাবাদী।’

খুলনা-৬ আসনের কয়রা ও পাইকগাছা উপজেলা জামায়াতের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। তবু জামায়াতে ইসলামীর মো. আবুল কালাম আজাদ ও বিএনপির এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পীর মধ্যে লড়াই হবে। এই আসনে ইতিপূর্বে আওয়ামী লীগ ও জামায়াতের প্রার্থীরাই বিজয়ী হয়েছেন।

 

ভোরের আকাশ/এনএস

খুলনানির্বাচন

শেয়ার করুন: