শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

গজারিয়ায় হারুন শিকদার–শিরিন রহমানসহ ১২৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা

হুমায়ুন কবির, মুন্সীগঞ্জ

প্রকাশ : ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ৩:৩৮ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: ভোরের আকাশ
ছবি: ভোরের আকাশ

মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর নামে ভয়াবহ অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দেশের ৬০টি ওভারসিজ রিক্রুটিং এজেন্সির ১২৪ জন মালিক–চেয়ারম্যান–পরিচালকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। প্রবাসীকল্যাণ খাতে সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে বড় দুর্নীতির ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। ম্যাচ ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড (আরএল নং ৫০৪)-এর মালিক মো. আমিনুর রহমান ওরফে হারুন শিকদার এবং তার স্ত্রী শিরিন রহমান মামলায় ৪০ নম্বর আসামি।

অভিযোগে বলা হয়, বায়রা’র বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালনকালে আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে একটি অবৈধ সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন। সরকার নির্ধারিত ৭৮ হাজার ৯৯০ টাকার বিপরীতে মালয়েশিয়াগামী শ্রমিকদের কাছ থেকে কয়েক গুণ বেশি অর্থ আদায় করা হয়। অনিয়মিত বাছাই, ঘুষ, চুক্তিবহির্ভূত লেনদেন এবং অবৈধ অর্থ পাচারের মাধ্যমে তারা বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেন। এই দুজন স্বামী স্ত্রী গত স্বৈরাচার সরকারের আমলে অবৈধ সম্পদের পাহাড় করে তৎসময়ে (২০২৪) মুন্সিগঞ্জের সদর আসনের স্বৈরাচার সরকারের নেতাদের টাকার বিনিময়ে নানা অপরাধ মুলক কাজে সহয়তা করেছে বলে জেলা সদর চা দোকানের আলোচনা সমালোচনার ঝড় বইছে।

তদন্তে উঠে আসে, ৬০টি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ২ লাখ ৬৭ হাজার ২৭৬ জন শ্রমিক পাঠানোর প্রক্রিয়ায় মোট ৪ হাজার ৫৪৫ কোটি ২০ লাখ ৮২ হাজার ৫০০ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের আত্মসাৎকৃত অর্থ, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নাম ও শ্রমিক সংখ্যার বিশদ তথ্য মামলার নথিতে যুক্ত করা হয়েছে।

তদন্তকারী সংস্থার দায়িত্বশীলরা জানান, শ্রম অভিবাসন খাতে এ ধরনের অনিয়ম শুধু লক্ষাধিক শ্রমিককে ভোগান্তিতে ফেলেনি, দেশের ভাবমূর্তিকেও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। পুরো চক্রকে চিহ্নিত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

ভোরের আকাশ/এসএইচ

গজারিয়ামামলা

শেয়ার করুন: