দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে সাধারণ ও সল্প আয়ের মানুষ বিপর্যস্ত

দিনাজপুরের ঘোড়ঘাটে ভোগ্যপণ্যের বাজারে বেসামাল অবস্থা শুরু হয়েছে। বাজারে এমন কোনো পণ্য নেই যার দাম বাড়েনি।
দ্রব্যমূল্যের এই ঊর্ধ্বগতিতে সাধারণ ও সল্প আয়ের মানুষ বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। মধ্যবিত্ত-নিম্নমধ্যবিত্ত মানুষের নিত্যদিনের চাহিদায় কাটছাঁট করতে হচ্ছে। নিত্যপণ্যের বাড়তি দাম মেটাতে শুরু হয়েছে ভোক্তার হাঁসফাঁস অবস্থা। আয়ের সিংহভাগ চলে যায় তিন বেলার আহার জোটাতে।
খাদ্যসহ নিত্যপণ্যের চড়া মূল্যের বিরূপ প্রভাব পড়েছে অতিদরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের ওপর। অনেক দিন ধরে নিত্যপণ্যের মূল্য সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে। তারা আয়ের সঙ্গে ব্যয় সংকুলান করতে পারছে না। খরচ কমিয়েও কুলিয়ে উঠতে পারছে না।
সোমবার ১৮ মে উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে সবজির দামের এমন চিত্র দেখা গেছে। বাজারে প্রতি কেজি পটল বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়, কাঁকরোল প্রতি কেজি ৬০ টাকা, বেগুন (গোল) প্রতি কেজি ৬০ টাকা, বেগুন (ল¤^া) প্রতি কেজি ৫০ টাকা, দেশি শসা প্রতি কেজি ৫০ টাকা, হাইব্রিড শসা প্রতি কেজি ৪০ টাকা, করলা প্রতি কেজি ৮০ টাকা, ঝিঙা প্রতি কেজি ৬০ টাকা, চিচিঙ্গা প্রতি কেজি ৬০ লতি ৬০ টাকা,বরবটি ৮০, পিয়াজ ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া ঢেঁড়স প্রতি কেজি ৬০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া প্রতি কেজি ৫০ টাকা, জালি প্রতি পিস ৬০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৬০ টাকা, কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি ১২০ টাকা, পেঁপে প্রতি কেজি ৬০ টাকা এবং কাঁচা কলা প্রতি হালি ৩০ থেকে ৪০ টাকায় সজেনা ডাটা ১৪০ খেকে ১৫০ টাকা, টমেটো ৪০ থেকে ৫০ টাকা, ফুল কপি ৬০ টাকা মুলা ৪০ থেকে ৫০ টাকা,আলু ২০ থেকে ৩৫ টাকা বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া প্রতি কেজি খাসির মাংস ১১ শত টাকা ও ছাগলের মাংস বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ১০৫০ টাকায়| এদিকে বাজারে কিছুটা বেড়েছে মাছের দাম| বাজারে প্রতি কেজি রুই ৩৫০ থেকে ৪২০ টাকা, কাতল ৩৮০ থেকে ৪৫০ টাকা, চাষের শিং ৩৫০ টাকা, চাষের মাগুর ৬০০ টাকা, চাষের কৈ ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, কোরাল ৭৫০ টাকা, চাষের পাঙাশ ১৮০- থেকে ২৩০ টাকা ও তেলাপিয়া ১৮০ থেকে ২২০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হয়েছে ১৬০ থেকে ১৮০ টাকায়, যা আগে ছিল ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা।
অন্যদিকে গতকাল প্রতি কেজি সোনালি মুরগি ৪৫০-৪৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছে| বাজারে গরুর মাংসের দাম কেজিতে ১০০ টাকা বেড়ে ৭৫০ টাকা হয়েছে। হালিপ্রতি ডিম বিক্রি হচ্ছে ৪৮ থেকে ৫০ টাকা।
রাণীগঞ্জ বাজারে মাছ ক্রয় করতে আসা, আজকে বাজারে এসে দেখছি সব ধরনের সবজির দাম বাড়তি। এত বেশি দামে সাধারণ মানুষের সবজি কিনে খাওয়া অনেকটাই কঠিন।
আজকে বাজারে ৬০ থেকে ৮০ টাকার নিচে কোনো সবজি নেই। এত দাম যদি হয় তাহলে আমরা সবজি কিনব কীভাবে?
ভোরের আকাশ/ র.ই