চট্টগ্রামে ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় দুই পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলার আটকদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এছাড়া মামলায় অজ্ঞাত আসামি রয়েছে আরও ১৫ থেকে ২০ জন। ইতিমধ্যে এ ঘটনায় ১৬ জনকে আটক করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) ওয়াহিদুল হক চৌধুরী বিষয়টি নিশ্বিত করেন।
মামলার আসামিরা হলেন- আব্দুল কাদের (২৫), মো. নাঈম উদ্দিন (২৭), মো. তৈয়ব (২৮), জোবাইদুল ইসলাম(২১), মো. নাঈম উদ্দিন (২২), মো. হানিফ(৩৫), মো. আরিফ (২৫), মো. জাবেদ (৩৪), মো. গিয়াস উদ্দিন (১৯), মো. শাহেদ (২৪), মো. ইকবাল হোসেন (৩৪), মো. ইকবাল হোসেন (২৭), মো. আব্দুর রহমান (৫২), মো. আব্দুল শুক্কুর (৩৩), মো. আব্দুল্লাহ (২০), তানভীর হোসেন (২৪)।
এছাড়া পলাতক আসামি হলেন- তৈয়বুল আলম প্রঃ আঙ্গুর মেম্বার (৫২), ১৮। সোলেমান প্রকাশ টেম্পু সোলেমানসহ (৫০) অজ্ঞাতনামা আরও ১৫/২০ জন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, রোববার, ২১ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ১০টায় সার্জেন্ট মো. তফছিরুল ইসলাম, সার্জেন্ট মো. ইমতিয়াজ শাহরিয়ার ভূঁইয়া, কনস্টেবল মো. সালাউদ্দিন, মো. মজিবুর রহমান ও মো. মোজাম্মেল কর্ণফুলী থানার চরলক্ষ্যা ইউনিয়নের চরফরিদ ২নম্বর ওয়ার্ডের ফয়সাল সিএনজি স্টেশনেরর পাশে ইউটার্ন পাকা রাস্তার ওপর চেকপোস্টে দায়িত্বকালীন ১১টি রেজিস্ট্রেশনবিহীন গ্রাম সিএনজি অটোরিকশা আটক করে এবং চালকদের গাড়ির কাগজপত্র দেখাতে বলে।
এসময় চালকরা কাগজপত্র দেখাতে না পারায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। আটক গাড়িগুলো মনসুরাবাদ ডাম্পিংয়ে পাঠানোর সময় হালকাযান ফেডারেশনের জিয়া, সুমন, বাহাদুর, কর্ণফুলী সিএনজি সমিতির সভাপতি হোসেন, এবং ফকিন্নির হাট সিএনজি সমিতির সেক্রেটারি রুবেল চালকদেরকে উস্কিযয়ে ঘটনার সূত্রপাত ঘটায়। দুষ্কৃতিকারী অতর্কিতভাবে সিএনজির সামনে দাঁড়িয়ে পথরোধ করে। এসময় সিএনজিগুলো ডাম্পিংয়ে নিয়ে যেতে চাইলে আটক, পলাতক ও অজ্ঞাতরা আসামিরা একত্রিত হয়ে লাঠিসোটা ও ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে। এসময় কনস্টেবল মো. সালাউদ্দিন এবং সার্জেন্ট মো. ইমতিয়াজ শাহরিয়ার ভূঁইয়া রক্তাক্ত জখম হয়। একপর্যায়ে আটক গ্রাম সিএনজি নিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে তারা। ঘটনার পরপর অভিযান পরিচালনা করে ১৬ জনকে আটক করা হয়।
এ বিষয়ে নগর পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) ওয়াহিদুল হক চৌধুরী বলেন, ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনায় ধারা-২০১৯ সালের আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) এর ৪/৫ মামলা করা হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা স্বাভাবিক রাখতে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তিনি জানান, অভিযানে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ১৭টি এবং অবৈধ গ্রাম সিএনজি ৪৩টি আটক করা হয়। মামলার বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।
ভোরের আকাশ/মো.আ.