শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

নাজিরপুরে বিরল রোগে আক্রান্ত শিশু সাইমুন বাচঁতে চায়

নাজিরপুর (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২২ মে ২০২৫, ৯:৪১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
নাজিরপুরে বিরল রোগে আক্রান্ত শিশু সাইমুন বাচঁতে চায়
নাজিরপুরে বিরল রোগে আক্রান্ত শিশু সাইমুন বাচঁতে চায়

পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার দেউলবাড়ী গ্রামের দিনমজুর  সাইদুল মিয়া ও মোসাঃ লাখি দম্পতির বড় সন্তান সাইমুন বিরল রোগে আক্রান্ত হয়েছে। গত বছর থেকেই হঠাৎ করে তার হাত-পা শুকিয়ে যাচ্ছে।তবে কি কারণে এমনটা হচ্ছে, এই রোগের চিকিৎসাই বা কী তাও বলতে পারছেনা চিকিৎসকরা।

নয় বছর বয়সী শিশু সাইমুনের দিন দিন শুকিয়ে যাচ্ছে হাত-পা।এই বয়সে সে স্কুলের সবুজ প্রান্ত‌রে  নিজের জীবন‌কে গড়বে সেখানে সে বিগত ১ বছ‌রের অ‌ধিক সময় মৃত্যুর সা‌থে পাঞ্জা  লড়ছে।এত দিন চি‌কিৎসাধীন থে‌কে তার বাবা মা আজ নি:স্ব হ‌য়ে প‌ড়েছে। এই বিরল ও মারাত্বক রো‌গে  তার চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করতে পারছে না। তাকে বাঁচা‌তে তার বাবা মায়ের আকুল আ‌বেদন।

দিনমজুর সাইদুল মিয়ার বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়,  মো. সাইমুন সম্পূর্ণ পঙ্গু অবস্থায় বাড়ির  চৌকিতে ঘুমিয়ে আছে।

সাইদুল মিয়া জানান, তার বড় ছেলে সাইমুনের গত বছর থেকে  হাত-পা শুকিয়ে যায়। তখন বরিশাল ও খুলনাতে তাকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ডাক্তার দেখানো হয়েছে ডাক্তার বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ওষুধ দিয়েছে, কিন্তু কী কারণে এই রোগ তা ডাক্তার নির্ণয় করতে পারেননি।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে  সন্তানের চিকিৎসার খরচ মেটানো আমাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। যদি সঠিকভাবে রোগটা নির্ণয় করা যেত তাহলে জীবনের শেষ সম্বল দিয়ে হলেও  চিকিৎসা করাতে পারতাম। বর্তমানে পরিবারের এমন একটি পরিবেশ একদিকে সন্তানের চিকিৎসা খরচ অন্যদিকে মুখের আহার এবং সংসারের বোঝা, কী করবো কিছুই বুঝতে পারছি না। এখন একমাত্র ভরসা সমাজের বিত্তবান, দানশীল মানুষ এবং সরকারি সহয়তা।

সাইদুলের স্ত্রী লাখি বেগম বলেন, আমি বিরল রোগে আক্রান্ত  সন্তানের হতভাগা মা। দীর্ঘ ১ বছর ধরে সন্তানের চিকিৎসা করাতে করাতে সংসারে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে তাদের মুখে খাবার দেব, না চিকিৎসা করাব। অনেক ডাক্তারের কাছে গেছি, ডাক্তার রোগ নির্ণয়ের জন্য যে পরীক্ষা দিয়েছে সেই পরীক্ষাই করা হয়েছে, কিন্তু কোনো রোগ নির্ণয় হয়নি। তারপরও আমরা হাল ছাড়িনি।

ছেলেটা যদি চিকিৎসার মাধ্যমে একটু ভালো হতো তাহলেও উপকৃত হতাম। বর্তমানে পরিবারের খরচ চালিয়ে বাচ্চার উন্নত চিকিৎসা করানোর সামর্থ্য নেই। তবে যদি কেউ সহযোগিতা করে, অথবা সরকারিভাবে তাদের চিকিৎসা করা হয়, তাহলে ভালোভাবে চিকিৎসা করাতে পারতাম।

তাই তিনি সন্তানের চিকিৎসার জন্য সমাজের বিত্তবান ও দানশীলদের সহযোগিতা কামনা করছেন।সাহায্য পাঠাতে যোগাযোগ করুন- (০১৩২৭৬৮৭২৫৬ ) সাইদুল মিয়া।

ভোরের আকাশ/এসএইচ

বিরল রোগে আক্রান্তশিশু সাইমুননাজিরপুর

শেয়ার করুন: