শিরোনাম
ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৪৭ বিলিয়ন ডলারঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৪৭ বিলিয়ন ডলারঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠক

চট্টগ্রাম রেঞ্জে ২৪৩ মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ১৭২

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১৭ আগস্ট ২০২৬, ৪:৩২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়ে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ১১ জেলায় একযোগে বিশেষ অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। 

মাত্র ২৪ ঘণ্টার অভিযানে উদ্ধার হয়েছে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা, গাঁজা ও চোলাই মদ। একই সময়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৬১টি মামলা দায়ের করে ১৭২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি মাদক-সংশ্লিষ্ট অপরাধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে আরও ৭০ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ সময় ৬ হাজার ৯০০ টাকা অর্থদণ্ডও আদায় করা হয়।

রোববার (১৬ আগস্ট) চট্টগ্রাম রেঞ্জের আওতাধীন ১১টি জেলায় এই বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালিত হয়। রেঞ্জ পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, একদিনে মোট ২৪৩টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এসব অভিযানে ১৯ হাজার ৪২০ পিস ইয়াবা, ১৩৯ কেজি ৬৫১ গ্রাম গাঁজা এবং ৫৫ লিটার ৯০০ গ্রাম চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের এমন বড় পরিসরের অভিযানে একদিনেই বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার এবং শতাধিক ব্যক্তির গ্রেপ্তারের ঘটনায় মাদকবিরোধী তৎপরতার ব্যাপকতা সামনে এসেছে।

চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী জানান, রোববার ২৪ ঘণ্টায় রেঞ্জের ১১টি জেলায় মোট ২৪৩টি অভিযান পরিচালনা করা হয়।

মাদকের বিরুদ্ধে চলমান কার্যক্রমকে আরও জোরদার করার অংশ হিসেবে এসব অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের আওতায় বিভিন্ন এলাকায় মাদকদ্রব্যের বিরুদ্ধে তল্লাশি ও আইনগত কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

একই দিনে এত বিপুলসংখ্যক অভিযান পরিচালনার ফলে রেঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের ব্যাপক তৎপরতা দেখা যায়। অভিযানের সময় মাদকদ্রব্য উদ্ধার করার পাশাপাশি এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

পুলিশের হিসাবে, একদিনের অভিযানে উদ্ধার করা মাদকের পরিমাণও ছিল উল্লেখযোগ্য। ইয়াবার পাশাপাশি শতাধিক কেজি গাঁজা এবং বিপুল পরিমাণ চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়েছে।

মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে সবচেয়ে আলোচিত উদ্ধারগুলোর একটি হলো ১৯ হাজার ৪২০ পিস ইয়াবা।

একদিনের অভিযানে এত বিপুলসংখ্যক ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনা মাদকবিরোধী তৎপরতায় পুলিশের সক্রিয়তার বিষয়টি সামনে এনেছে। ইয়াবার পাশাপাশি গাঁজা ও চোলাই মদ উদ্ধারের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের মাদকের বিরুদ্ধেই অভিযান পরিচালনার তথ্য পাওয়া গেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযানের সময় উদ্ধার হওয়া মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

ইয়াবার পাশাপাশি বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ গাঁজাও উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, একদিনের অভিযানে ১৩৯ কেজি ৬৫১ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। অর্থাৎ শুধু ইয়াবা নয়, গাঁজার বিরুদ্ধেও ব্যাপক অভিযান পরিচালনা করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

চট্টগ্রাম রেঞ্জের ১১টি জেলায় পরিচালিত এসব অভিযানের মাধ্যমে মাদকদ্রব্যের বিভিন্ন উৎস ও সরবরাহ ব্যবস্থার বিরুদ্ধে নজরদারি চালানো হয়েছে।

বিশেষ অভিযানে ইয়াবা ও গাঁজার পাশাপাশি ৫৫ লিটার ৯০০ গ্রাম চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়েছে।

মাদকবিরোধী অভিযানের সময় বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য উদ্ধারের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে। উদ্ধার করা মাদকদ্রব্যের মধ্যে চোলাই মদের পরিমাণও উল্লেখযোগ্য।

পুলিশ জানিয়েছে, মাদক পরিবহন ও বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

একদিনের বিশেষ অভিযানের পর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মোট ৬১টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এসব মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১৭২ জনকে।

অভিযানের সময় মাদকদ্রব্য উদ্ধারের পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

একদিনে ৬১টি মামলা এবং ১৭২ জনকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি মাদকবিরোধী অভিযানের ব্যাপকতার একটি গুরুত্বপূর্ণ চিত্র।

পুলিশের এই কার্যক্রমে মাদক পরিবহন, বিক্রি কিংবা অন্যান্য মাদক-সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।

নিয়মিত মামলা ও গ্রেপ্তারের পাশাপাশি মাদক-সংশ্লিষ্ট অপরাধে মোবাইল কোর্টও পরিচালনা করা হয়েছে।

মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আরও ৭০ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানের আওতায় শুধু মামলা ও গ্রেপ্তারেই কার্যক্রম সীমাবদ্ধ থাকেনি; সংশ্লিষ্ট অপরাধের ক্ষেত্রে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমেও তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

একই সময়ে ৬ হাজার ৯০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়।

ফলে একদিনের অভিযানে নিয়মিত আইনি কার্যক্রমের পাশাপাশি মোবাইল কোর্টের মাধ্যমেও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।বিষয়পরিমাণমোট অভিযান২৪৩টিঅভিযানের আওতাধীন জেলা১১টিউদ্ধার ইয়াবা১৯,৪২০ পিসউদ্ধার গাঁজা১৩৯ কেজি ৬৫১ গ্রামউদ্ধার চোলাই মদ৫৫ লিটার ৯০০ গ্রামদায়ের করা মামলা৬১টিগ্রেপ্তার১৭২ জনমোবাইল কোর্টে কারাদণ্ড৭০ জনঅর্থদণ্ড৬,৯০০ টাকা।

চট্টগ্রাম রেঞ্জের আওতাধীন ১১টি জেলায় একযোগে বিশেষ অভিযান পরিচালনার ফলে মাদকবিরোধী কার্যক্রমের পরিসর ছিল বড়। ২৪ ঘণ্টায় ২৪৩টি অভিযান পরিচালনা করাই এর ব্যাপকতা নির্দেশ করে।

একই সময়ে ইয়াবা, গাঁজা ও চোলাই মদ উদ্ধারের ঘটনা দেখিয়েছে যে মাদকবিরোধী অভিযানে বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্যকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে ৬১টি মামলা দায়ের এবং ১৭২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর সঙ্গে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ৭০ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়ার ঘটনাও রয়েছে।

অর্থাৎ অভিযান, মাদক উদ্ধার, মামলা, গ্রেপ্তার এবং মোবাইল কোর্ট সব মিলিয়ে একদিনে একাধিক পর্যায়ে কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।

মাদক নিয়ন্ত্রণে শুধু বড় ধরনের অভিযান নয়, নিয়মিত নজরদারি ও আইনগত পদক্ষেপও গুরুত্বপূর্ণ। চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশের একদিনের এই বিশেষ অভিযানে সেই তৎপরতারই একটি বড় চিত্র পাওয়া গেছে।

রেঞ্জের ১১ জেলার বিভিন্ন এলাকায় ২৪৩টি অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসব অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, অভিযানের সময় উদ্ধার হওয়া মাদকদ্রব্যের মধ্যে রয়েছে ১৯ হাজার ৪২০ পিস ইয়াবা, ১৩৯ কেজি ৬৫১ গ্রাম গাঁজা এবং ৫৫ লিটার ৯০০ গ্রাম চোলাই মদ।

অভিযানের পর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৬১টি মামলা করা হয়েছে। এসব মামলায় ১৭২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মাদকবিরোধী কার্যক্রমে মোবাইল কোর্টের ভূমিকার বিষয়টিও উঠে এসেছে এই অভিযানে।

মাদক-সংশ্লিষ্ট অপরাধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে আরও ৭০ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ৬ হাজার ৯০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়েছে।

এর ফলে একই সময়ের মধ্যে নিয়মিত মামলা ও গ্রেপ্তারের পাশাপাশি মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এই সমন্বিত কার্যক্রম মাদকবিরোধী অভিযানকে আরও বিস্তৃত করেছে।

চট্টগ্রাম রেঞ্জের আওতাধীন ১১টি জেলায় একই দিনে অভিযান পরিচালনার বিষয়টি বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। একটি নির্দিষ্ট এলাকা নয়, বরং রেঞ্জের বিস্তৃত এলাকায় একযোগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা চালানো হয়েছে।

২৪৩টি অভিযানের মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। কোথাও মাদক উদ্ধার হয়েছে, কোথাও সংশ্লিষ্টদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং কোথাও মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সব মিলিয়ে একদিনের এই অভিযান মাদকবিরোধী পুলিশের বহুমুখী কার্যক্রমের একটি চিত্র তুলে ধরেছে।

মাদকবিরোধী অভিযান একদিনে শেষ হওয়ার বিষয় নয়। মাদকের সরবরাহ, পরিবহন ও বিক্রি বন্ধ করতে ধারাবাহিক নজরদারি এবং নিয়মিত আইনগত ব্যবস্থা প্রয়োজন।

চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশের এই বিশেষ অভিযান সেই ধারাবাহিক কার্যক্রমের অংশ। একদিনে ২৪৩টি অভিযান পরিচালনা এবং বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধারের পাশাপাশি শত শত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তবে মাদক নিয়ন্ত্রণে কেবল উদ্ধার বা গ্রেপ্তার নয়, মাদকের বিস্তার রোধে দীর্ঘমেয়াদি ও ধারাবাহিক কার্যক্রমও গুরুত্বপূর্ণ। সংশ্লিষ্টদের মতে, আইন প্রয়োগের পাশাপাশি মাদকবিরোধী সচেতনতা তৈরিও প্রয়োজন।

চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশের রোববারের বিশেষ অভিযানের পরিসংখ্যান বলছে, একদিনেই মাদকবিরোধী কার্যক্রমে বড় ধরনের তৎপরতা চালানো হয়েছে।

২৪ ঘণ্টায় ২৪৩টি অভিযান পরিচালনা করে উদ্ধার করা হয়েছে ১৯ হাজার ৪২০ পিস ইয়াবা। এর সঙ্গে রয়েছে ১৩৯ কেজি ৬৫১ গ্রাম গাঁজা এবং ৫৫ লিটার ৯০০ গ্রাম চোলাই মদ।

অভিযানের পর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের হয়েছে ৬১টি মামলা। এসব মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন ১৭২ জন। এর বাইরে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আরও ৭০ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আদায় করা হয়েছে ৬ হাজার ৯০০ টাকা অর্থদণ্ড।

একদিনের এই হিসাবেই স্পষ্ট হয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশের অভিযান কতটা বিস্তৃত ছিল।

চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রোববারের ২৪ ঘণ্টার বিশেষ অভিযানে মাদকবিরোধী কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মাদক উদ্ধার এবং বিপুলসংখ্যক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

একদিকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ও গাঁজা উদ্ধার, অন্যদিকে চোলাই মদ জব্দ সব মিলিয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা ছিল ব্যাপক।

আরও পড়ুন

কুড়িগ্রামে ভারতীয় চোরাই কাপড় জব্দ

মাদক পরিবহন ও বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা ও গ্রেপ্তারের পাশাপাশি মোবাইল কোর্টে কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডের ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম রেঞ্জের ১১ জেলায় একযোগে পরিচালিত এই অভিযান তাই শুধু একটি দিনের অভিযান নয়; বরং মাদকের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সক্রিয় অবস্থানের একটি বড় চিত্র হিসেবেই সামনে এসেছে।

ভোরের আকাশ/রই
 

আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী

শেয়ার করুন: