শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

চৈতা নেছারিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদরাসার নবনির্বাচিত সভাপতির প্রথম মতবিনিময় সভা

ভোরের আকাশ প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ১:৩৫ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
চৈতা নেছারিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদরাসার নবনির্বাচিত সভাপতির প্রথম মতবিনিময় সভা
চৈতা নেছারিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদরাসার নবনির্বাচিত সভাপতির প্রথম মতবিনিময় সভা

চৈতা নেছারিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদরাসার নবনির্বাচিত সভাপতি জাওহার ইকবাল খান দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো শিক্ষকমণ্ডলীর সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেছেন। সভাটি ছিল উষ্ণতা, সৌহার্দ্য এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়নের আশাবাদে পরিপূর্ণ।

মাদরাসা প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এ সভায় উপস্থিত শিক্ষকরা প্রতিষ্ঠানের সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন। তাঁরা তাঁদের অভিজ্ঞতা, দায়িত্ববোধ এবং প্রতিষ্ঠানের প্রতি গভীর ভালোবাসার পরিচয় দেন। শিক্ষকদের সুচিন্তিত মতামত, গঠনমূলক পরামর্শ এবং ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি সভাপতিকে ভীষণভাবে অনুপ্রাণিত করে।

সভায় সবচেয়ে গুরুত্ব পায় মাদরাসার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা। শিক্ষার মানোন্নয়ন, আধুনিকায়ন এবং একটি আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সবাই একযোগে কাজ করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। উপস্থিত সকলেই নিজ নিজ অবস্থান থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

সভাপতি জাওহার ইকবাল খান তাঁর বক্তব্যে বলেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টা, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং আন্তরিকতার মাধ্যমেই চৈতা নেছারিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদরাসাকে একটি যুগোপযোগী ও আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা সম্ভব। তিনি এ লক্ষ্যে সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন। আবেগঘন এই মতবিনিময় সভা মাদরাসার নতুন পথচলায় একটি ইতিবাচক সূচনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

অত্র প্রতিষ্ঠানের সভাপতি জাওহার ইকবাল খান আরো বলেন, বাংলাদেশের ইসলামী শিক্ষা বিস্তারের ইতিহাসে এক উজ্জ্বল নাম চৈতা নেছারিয়া ফাজিল মাদরাসা। দীর্ঘ কয়েক দশকের পথচলায় এই প্রতিষ্ঠানটি শুধু একটি শিক্ষাঙ্গন নয়, বরং ধর্মীয় মূল্যবোধ, নৈতিকতা ও আদর্শিক শিক্ষার এক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

১৯৪২ সালে প্রতিষ্ঠিত এই মাদরাসার পেছনে রয়েছে এক মহান ব্যক্তিত্বের অবদান—প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ্ব মাওলানা ইউনুস রহমতুল্লাহি আলাই (চৈতার মরহুম পীর সাহেব)। তাঁর দূরদর্শিতা, ধর্মীয় প্রজ্ঞা ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই এই প্রতিষ্ঠানটির জন্ম। ইসলামী শিক্ষাকে সাধারণ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার মহান লক্ষ্য নিয়ে তিনি এই শিক্ষা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেন।

পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠানটির রূপকার ও প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন মরহুম আলহাজ্ব হযরত মাওলানা নূর মোহাম্মদ খান। তাঁর নিরলস প্রচেষ্টা, ত্যাগ ও অক্লান্ত পরিশ্রমে মাদরাসাটি ধীরে ধীরে একটি সুসংগঠিত ও স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। তিনি এই প্রতিষ্ঠানটিকে নিজের স্বপ্নের মতো লালন করেছেন এবং তিলে তিলে গড়ে তুলেছেন একটি আদর্শ শিক্ষাঙ্গন হিসেবে।

চৈতা নেছারিয়া ফাজিল মাদরাসা আজ শুধুমাত্র একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়, বরং এটি একটি ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক। এখান থেকে শিক্ষালাভ করে অসংখ্য শিক্ষার্থী সমাজে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে এবং ইসলামের সঠিক বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে।

বর্তমান সময়েও এই প্রতিষ্ঠানটি তার গৌরবময় ঐতিহ্য বজায় রেখে আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে সমন্বয় সাধন করে ইসলামী শিক্ষার প্রসারে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে এর অবদান প্রশংসনীয় এবং ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে—এটাই প্রত্যাশা।

ভোরের আকাশ/এসএইচ

মতবিনিময় সভা

শেয়ার করুন: