শিরোনাম
ঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

খুলনার বিএল কলেজের নজরুল ছাত্রাবাস ও তিতুমীর হল পরিত্যক্ত ঘোষণা

খুলনা প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২০ জুলাই ২০২৬, ৬:৪৪ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
খুলনার বিএল কলেজের নজরুল ছাত্রাবাস ও তিতুমীর হল পরিত্যক্ত ঘোষণা
খুলনার বিএল কলেজের নজরুল ছাত্রাবাস ও তিতুমীর হল পরিত্যক্ত ঘোষণা

খুলনার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দৌলতপুর সরকারি বিএল কলেজের কবি কাজী নজরুল ইসলাম ছাত্রাবাস ও শহিদ তিতুমীর হল পরিত্যক্ত ঘোষণা করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। ভবন দুটি নিলামে দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা চেয়ে জেলা প্রশাসনের কাছে কাগজপত্র পাঠানো হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ভবন দুটি ব্যবহার অনুপযোগী অবস্থায় রয়েছে।

কলেজ সূত্রে জানা যায়, কলেজ ক্যাম্পাসের উত্তর পাশে ১৯৬৩ সালে তৎকালীন অধ্যক্ষ আবু সাঈদ আহমদের উদ্যোগে নিউ মুসলিম ছাত্রাবাস নির্মিত হয়। সে সময় ছাত্র সংসদের ভিপি ছিলেন ছাত্র ইউনিয়ন মনোনীত মিয়া সাদেকুর রহমান এবং জিএস ছিলেন বিমলেন্দু হাওলাদার।

প্রফেসর মোহাম্মদ বজলুল করিম রচিত ব্রজলাল কলেজের ইতিহাস গ্রন্থে উল্লেখ রয়েছে, ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের পর ছাত্রাবাসটির নাম পরিবর্তন করে কবি কাজী নজরুল ইসলাম ছাত্রাবাস রাখা হয়। এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন ১৯৬৯-১৯৭৩ মেয়াদের ছাত্র সংসদের ভিপি স. ম. বাবর আলী ও জিএস ফ. ম. সিরাজুল হক। ছাত্রাবাসটিতে ৩৬ জন শিক্ষার্থীর আবাসনের ব্যবস্থা ছিল।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে ছাত্রাবাসটি কার্যত ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ে। গত দুই বছরে ভবনটির দরজা-জানালাসহ বিভিন্ন অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত ও খোয়া গেছে। একই গ্রন্থের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৮১ সালে শহিদ তিতুমীর হল প্রতিষ্ঠিত হয়। হলটির আবাসনক্ষমতা ১৪৪ জন শিক্ষার্থীর।

আরও পড়ুন

গাইবান্ধায় ইয়াবাসহ এনসিপি নেতা গ্রেফতার

কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম বলেন, "বসবাসের জন্য নিরাপদ না হওয়ায় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ছাত্রাবাস ও শহিদ তিতুমীর হল পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। ভবন দুটি নিলামের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা চেয়ে জেলা প্রশাসনের কাছে কাগজপত্র পাঠানো হয়েছে।"

তিনি আরও বলেন, স্থানীয় হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুলের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, ওই দুই স্থানে নতুন ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রতিটি ৫০০ আসনবিশিষ্ট চারটি ছাত্রাবাস নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ছাত্রাবাসসহ অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণে প্রায় আড়াইশ কোটি টাকার একটি প্রকল্প গ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে।

ভোরের আকাশ/সু.পা

বিএল কলেজ, নজরুল ছাত্রাবাস, তিতুমীর হল

শেয়ার করুন: