শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

খড়িয়া-ভড়েঙ্গা ব্রিজে বড় গর্ত, দ্রুত পুনর্নির্মাণের দাবি

খুলনা প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২১ জুলাই ২০২৬, ৪:৫৮ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: ভোরের আকাশ
ছবি: ভোরের আকাশ

খুলনার পাইকগাছা উপজেলার খড়িয়া ভড়েঙ্গার চক গ্রামে ভড়েঙ্গা খালের ওপর প্রায় ৩০ বছর আগে নির্মিত একটি সেতু দীর্ঘদিন ধরে চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। সেতুর মাঝখানে বড় আকারের গর্ত, বিভিন্ন স্থানে কংক্রিট খসে পড়ে লোহার রড বেরিয়ে এসেছে। এছাড়া সংযোগ সড়কেরও বেহাল অবস্থা। ফলে প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন শত শত স্কুলশিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

সরেজমিনে দেখা যায়, সেতুর মাঝ বরাবর বড় দুটি অংশ ভেঙে নিচের ফাঁকা অংশ দৃশ্যমান হয়েছে। কংক্রিটে একাধিক ফাটল ও ক্ষয়ের চিহ্ন রয়েছে। দুই পাশের রেলিং ভেঙে গিয়ে লোহার রড বের হয়ে আছে। নিচের পিলার ও কাঠামোর বিভিন্ন অংশেও দীর্ঘদিনের ক্ষয় স্পষ্ট।

স্থানীয় বাসিন্দা উত্তম মণ্ডল বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সেতুটি সংস্কার বা পুনর্নির্মাণের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। অথচ এটি খড়িয়া সবুজ পল্লি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষের প্রধান চলাচলের পথ। প্রতিদিন শিক্ষার্থী, অভিভাবক, কৃষক ও সাধারণ মানুষ ঝুঁকি নিয়ে সেতুটি ব্যবহার করছেন। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

লস্কর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম বলেন, প্রায় ৩০ বছর আগে নির্মিত সেতুটি অতিরিক্ত লবণাক্ততার কারণে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কংক্রিট নষ্ট হয়ে লোহার রড বেরিয়ে এসেছে। নতুন একটি সেতু নির্মাণ হলে এলাকাবাসীর নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত হবে।

আরও পড়ুন

আসামে বন্যায় ১০ জনের প্রাণহানি, ৭৯৪ গ্রাম ক্ষতিগ্রস্ত

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রাজিব বিশ্বাস জানান, সেতুটি এখন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ পাওয়া গেলে নতুন সেতু নির্মাণের জন্য প্রকল্প গ্রহণ করা হবে।

এদিকে দ্রুত সেতুটি পুনর্নির্মাণ বা বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাদের আশঙ্কা, জরুরি পদক্ষেপ না নিলে যেকোনো সময় বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারে।

ভোরের আকাশ/জেআ

খুলনাঝুঁকিপূর্ণ সেতু

শেয়ার করুন: