নীলফামারী-১ আসনে এনসিপি মনোনয়ন প্রত্যাশী রাশেদ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে বিএনপির ফাঁকা রাখা নীলফামরী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনের মনোনয়নপত্র সংগ্রহের পর আজ (২৪ নভেম্বর) চুড়ান্ত যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় সাক্ষাৎকার দেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নীলফামারী জেলা শাখার যুগ্ম সদস্যসচিব ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নীলফামারী জেলার মুখপাত্র কলামিস্ট রাশেদুজ্জামান রাশেদ।
বিকেল ৩ টায় এনসিপি'র কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যুগ্ম আহ্বায়ক ও রংপুর বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক ড. আতিক মুজাহিদের উপস্থিতিতে রাজনৈতিক সাক্ষাৎকার দেন রাশেদ।
রাশেদুজ্জামান রাশেদ বলেন, যদি দলের পক্ষ থেকে নীলফামারী-১ আসনে ভোটের লড়াইয়ে সুযোগ পাই এবং ডোমার-ডিমলার মানুষ যদি সংসদ পর্যন্ত যেতে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করেন, আশা করছি এনসিপি থেকে আমরা পরিবর্তন আনতে সক্ষম হব।’
তিনি আরও বলেন, ‘রাজনীতি আমার কাছে ক্ষমতার নয়, সেবার জায়গা। আমি সব সময় জনগণের পাশে থাকতে চাই। ডোমার ও ডিমলার এলাকার উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে নেওয়াই আমার মূল লক্ষ্য। এলাকার শিক্ষা, কৃষি ও স্বাস্থ্য খাতে যে বৈষম্য আছে, তা দূর করতে চাই। জনগণের আস্থা ও ভালোবাসা পেলে নির্বাচনে অংশ নিয়ে কাজের মাধ্যমে সেই আস্থা রাখার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি।’
তিনি বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, রাজনীতি মানে মানুষের জীবনমান পরিবর্তনের সংগ্রাম। এনসিপির আদর্শ ও নেতৃত্বের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আমি তৃণমূলের মানুষকে সংগঠিত করছি। যদি মনোনয়ন পাই, তবে ডোমার-ডিমলাকে একটি আধুনিক, উন্নত ও স্বনির্ভর অঞ্চলে রূপ দিতে পারব আমার বিশ্বাস।’
চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকায় যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা কতটুকু দেখছেন প্রশ্নত্তোরে তিনি বলেন, সাংগঠনিক সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বলে মেনে নিবো।
সূত্র মতে, রাশেদুজ্জামান রাশেদ দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক কাজে সক্রিয়। সমাজসেবা, শিক্ষা সহায়তা ও যুব উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে এলাকায় ইতিবাচক ভাবমূর্তি গড়ে তুলেছেন। রাজনৈতিক জীবনের পাশাপাশি তিনি কলামিস্ট; ছিলেন একজন সক্রিয় জুলাই যোদ্ধা, যিনি দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি।
ভোরের আকাশ/তা.কা