৩৬ ঘণ্টায়ও মেলেনি নিখোঁজ জেলে মেহেদী হাসানের

৩৬ ঘন্টায় সন্ধান মেলে নিখোজ জেলে মেহেদী হাসানের (২২)। ৩৬ ঘন্টা আগে মোংলা বন্দরের পশুর নদীতে ট্রলার থেকে পড়ে নিখোঁজ হয় জেলে মেহেদী হাসান। সন্ধান মেলেনি ৩৬ ঘণ্টায়ও। মোংলা নদীর ত্রিমোহনা থেকে হারবাড়িয়া পর্যন্ত প্রায় ৩০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ফায়ার সার্ভিস, কোস্ট গার্ড ও বন বিভাগের যৌথ উদ্যোগে এই উদ্ধার অভিযান চলছে। তবে এখন পর্যন্ত তাঁর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
বুধবার (২৯ অক্টোবর) ভোর ৬টার দিকে পশুর নদীর সিন্দুরতলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিখোঁজ মেহেদী হাসান রামপাল উপজেলার ফয়লা বাজার সংলগ্ন গোবিন্দপুর এলাকার মো: শফিউল শেখের ছেলে। তিন বোনের একমাত্র ভাই ছিলেন মেহদী হাসান।
স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস ও স্বজনরা জানান, বুধবার রাতে দুবলার চরে শুটকি আহরণের উদ্দেশ্যে ২০-২৫টি ট্রলারের একটি বহর সিন্দুরতলা খাল এলাকায় অবস্থান করছিল। ভোর সাড়ে ৬টার দিকে রওনা দেওয়ার প্রস্তুতির সময় নৌকা থেকে ওঠার চেষ্টা করলে হঠাৎ পা পিছলে পশুর নদীতে পড়ে তলিয়ে যায় জেলে মেহেদী। সঙ্গে থাকা অন্য জেলেরা তাৎক্ষণিকভাবে খোঁজাখুঁজি করে ব্যর্থ হয়ে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়।
খবর পেয়ে মোংলা ও খুলনার ফায়ার সার্ভিসের দুটি ডুবুরি দল, কোস্ট গার্ড, নৌবাহিনী এবং বন বিভাগের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে দিনভর উদ্ধার তৎপরতা চালায়। মোংলা বন্দর ও আশপাশের নদী তীরবর্তী এলাকায় মাইকিংসহ প্রশাসনের নজরদারি ও তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে।
নিখোঁজ জেলের পরিবার সূত্রে জানা যায়, ৫০ হাজার টাকা চুক্তিতে উলুবুনিয়ার মনোয়ার নামের এক মহাজনের অধীনে মাছ আহরণের জন্য দুবলার চরে যাচ্ছিলেন মেহেদী। একমাত্র ভাইকে হারিয়ে পরিবারে চলছে শোকের মাতম।
বন বিভাগ সহ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জেলের সন্ধান না পাওয়া পর্যন্ত নদীতে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকবে।
নিখোঁজের চাচা আবু হানিফ জানায়, তিন বোনের একমাত্র ভাই মেহেদীই ছিলেন পরিবারের মূল ভরসা। মা বাবা বৃদ্ধ, ৫০ হাজার টাকার চুক্তিতে প্রথমবার মহাজনের সঙ্গে দুবলার চরে মাছ আহরণে যাচ্ছিলেন সে, কিন্তু জীবিত আর ফিরবেনা মেহেদী। নিখোঁজের পর থেকে পশুর নদীর বিভিন্ন ঘাটে ঘাটে ঘুরছি, কিন্তু এখনো মেহেদীর কোনো খোঁজ পেলাম না। ও না থাকলে এই পরিবারের কী হবে? আমরা আর কিছুই চাই না, শুধু মেহেদীকে জীবিত কিংবা মৃত-যেভাবেই হোক উদ্ধার করে আমাদের বুকে ফিরিয়ে দেওয়া হোক। আমরা প্রশাসনের কাছে আবেদন জানাচ্ছি উদ্ধার অভিযান আরও জোরদার করার জন্য।
নিখোঁজের চাচা আবু হানিফ জানায়, তিন বোনের একমাত্র ভাই মেহেদীই ছিলেন পরিবারের মূল ভরসা। মা বাবা বৃদ্ধ, ৫০ হাজার টাকার চুক্তিতে প্রথমবার মহাজনের সঙ্গে দুবলার চরে মাছ আহরণে যাচ্ছিলেন সে, কিন্তু জীবিত আর ফিরবেনা মেহেদী। নিখোঁজের পর থেকে পশুর নদীর বিভিন্ন ঘাটে ঘাটে ঘুরছি, কিন্তু এখনো মেহেদীর কোনো খোঁজ পেলাম না। ও না থাকলে এই পরিবারের কী হবে? আমরা আর কিছুই চাই না, শুধু মেহেদীকে জীবিত কিংবা মৃত-যেভাবেই হোক উদ্ধার করে আমাদের বুকে ফিরিয়ে দেওয়া হোক। আমরা প্রশাসনের কাছে আবেদন জানাচ্ছি উদ্ধার অভিযান আরও জোরদার করার জন্য।
ভোরের আকাশ/ এনউব