শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

বাঞ্ছারামপুরে ভেজাল গুড় তৈরীর কারখানার সন্ধান: ৪ লাখ টাকা জরিমানা

স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

প্রকাশ : ১২ মার্চ ২০২৬, ৭:৪৪ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
বাঞ্ছারামপুরে ভেজাল গুড় তৈরীর কারখানার সন্ধান: ৪ লাখ টাকা জরিমানা
বাঞ্ছারামপুরে ভেজাল গুড় তৈরীর কারখানার সন্ধান: ৪ লাখ টাকা জরিমানা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার উজানচর ইনিয়নের নূর টেডার্স নামে একটি ভেজাল গুড় তৈরির কারখানায় অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করেন- উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম।

অভিযানকালে দেখা যায় তিতাস নদীর তীর দখল করে ভেজাল গুড় তৈরীর কারখানাটি স্থাপন করা হয়েছে। কারখানাটিতে  মানবদেহে ক্ষতিকারক রাসায়নিক কেমিক্যাল, রাব, চিনিসহ বিভিন্ন ধরনের রঙ এবং উপকরণ ব্যবহার করে বিপুল পরিমান ভেজাল গুড় তৈরি করা হচ্ছিল। এই গুড় গুলোকে আখ এবং খেজুর গুড় বলে মাটির তৈরি মটকা এবং টিন দিয়ে তৈরী বিশেষ প্যাক করে খোলা বাজারে বিক্রি করা হত।

ক্ষতিকারক কেমিক্যাল ব্যবহার করে গুড় তৈরীর কারখানার কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন ও জাকির হোসেন ভেজাল গুড় তৈরীর বিষয়টি স্বীকার করেন। পরে দুই কর্মকর্তাকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন- ২০০৯ এর আলোকে ২ লাখ টাকা করে ৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

এ সময় তাদেরকে ভবিষ্যতের জন্য সতর্ক করা হয় এং এসব অপকর্ম বন্ধ করাসহ নদীর জায়গা ছেড়ে দেয়ার জন্যেও নির্দেশ দেয়া হয়। অন্যথায় ঈদের পরে আবারো অভিযান পরিচালনা করার কথা জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম।

অভিযানকালে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রবিউল হাসানসহ পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ভোরের আকাশ/এনএস

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

শেয়ার করুন: