শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

কাউখালিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৭ শিক্ষার্থীর বিপরীতে ৪ শিক্ষক

পিরোজপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৩ জুলাই ২০২৬, ১১:২৯ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার সয়না রঘুনাথপুর ইউনিয়নের জব্দকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে মোট শিক্ষার্থী মাত্র ৭ জন, বিপরীতে কর্মরত শিক্ষক রয়েছেন ৪ জন। দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য থাকায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সহকারী শিক্ষক দীপঙ্কর শিকদার।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে কোনো শিক্ষার্থী নেই। তৃতীয় শ্রেণিতে ২ জন, চতুর্থ শ্রেণিতে ১ জন এবং পঞ্চম শ্রেণিতে ৪ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। সব মিলিয়ে বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে মাত্র ৭ জন শিক্ষার্থী পাঠদান করছে।

এলাকাবাসী জানান, বিদ্যালয়টির ক্যাচমেন্ট এরিয়া ছোট হওয়ায় শিক্ষার্থীর সংখ্যা তুলনামূলক কম। এছাড়া বিদ্যালয়টির চারপাশে আরও চারটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থাকায় অধিকাংশ অভিভাবক তাদের সন্তানদের পাশের বিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি করিয়েছেন।

স্থানীয় অভিভাবকরা বলেন, বিদ্যালয়টিতে আগে অনেক শিক্ষার্থী ছিল। কিন্তু এখন লেখাপড়ার মান আগের মতো নেই বলে অনেকেই সন্তানদের অন্য স্কুলে ভর্তি করছেন। ভালো শিক্ষা নিশ্চিত করা গেলে আবার শিক্ষার্থী বাড়বে।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দীপঙ্কর শিকদার বলেন, আমরা নিয়মিত পাঠদান পরিচালনা করছি। শিক্ষার্থী কম থাকলেও প্রত্যেকের প্রতি আলাদা নজর দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। নতুন শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য অভিভাবকদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। প্রধান শিক্ষকের পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। পদটি পূরণ হলে প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করছি।

আরও পড়ুন

খুলনায় অজ্ঞাত যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার অহিদুর রহমান বলেন, বিষয়টি আমাদের নজরে রয়েছে। শিক্ষার্থী সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে বিভিন্ন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এলাকাভিত্তিক সচেতনতা বৃদ্ধি, মানসম্মত পাঠদান এবং অভিভাবকদের সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে বিদ্যালয়টিকে পুনরায় শিক্ষার্থীমুখী করার চেষ্টা চলছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, "প্রাথমিক শিক্ষা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের বিষয়। বিদ্যালয়টিতে শিক্ষার্থী কম থাকার কারণগুলো খতিয়ে দেখা হবে। শিক্ষা অফিসের সঙ্গে সমন্বয় করে শিক্ষার মান উন্নয়ন, প্রধান শিক্ষকের পদ পূরণ এবং শিক্ষার্থী বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

ভোরের আকাশ/ইউএম

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

শেয়ার করুন: