সাটুরিয়ায় কলেজছাত্রীকে অপহরণ চেষ্টা: গাড়ি নিয়ে বিতর্ক

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের নয়াডিঙ্গি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এক কলেজছাত্রীকে অপহরণ চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় জনতা দেখতে পেয়ে ধাওয়া করে ওই ছাত্রীকে উদ্ধারসহ একটি সিলভার কালারের হায়েস গাড়ি এবং এর চালককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে।মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
স্বাক্ষ্য ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বিকেল পাঁচটার দিকে প্রাইভেট পড়া শেষে বাড়ি ফিরছিলেন ওই কলেজছাত্রী। নয়াডিঙ্গি এলাকায় তাকে একা পেয়ে চার-পাঁচজনের একটি সংবদ্ধ দল জোরপূর্বক মুখ চেপে ধরে একটি হায়েস গাড়িতে তোলে। চালক গাড়িটি দ্রুত টান দিলে ওই ছাত্রী ভেতরে চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করেন। তা শুনে স্থানীয় উৎসুক জনতা ও পথচারীরা গাড়িটি ধাওয়া করেন। প্রায় এক কিলোমিটার দূরে 'রাইজিং ফ্যাক্টরি'র সামনে জনতা ব্যারিকেড দিয়ে গাড়িটির গতিরোধ করে ছাত্রীকে উদ্ধার করে।
এ সময় গাড়িতে থাকা অন্য চার অপহরণকারী সটকে পড়লেও চালককে গাড়িসহ আটকে ফেলে উপস্থিত জনতা। পরবর্তীতে গোলড়া হাইওয়ে থানার টহল টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকৃত ছাত্রীকে তাঁর পরিবারের জিম্মায় দেয় এবং গাড়ি ও চালককে আটক করে গোলড়া হাইওয়ে থানা হেফাজতে নিয়ে যায়।
এদিকে আটকের পর গোলড়া হাইওয়ে থানার কর্মকর্তা ও উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে আটক চালক তুহিন (২৩) পিতা মাননাফ দাবি করেন, ব্যবহৃত হায়েস গাড়িটি সাটুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেনের। এমনকি তিনি ফোনে ওসি মোশাররফকে যুক্ত করে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলানোর চেষ্টা করেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সাটুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন জানান, উক্ত গাড়ির সঙ্গে তাঁর বা থানার কোনো সম্পর্ক নেই। এটি অসত্য তথ্য।
গোলড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম মাতুব্বর জানান গাড়ি ও চালককে আটক করে আনার পরে সাটুরিয়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
ভোরের আকাশ/এম