শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সুন্দরবনের সুস্বাদু গোলফলে মুগ্ধ পর্যটকরা

বাগেরহাট প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১১ জানুয়ারি ২০২৬, ১:২৫ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: ভোরের আকাশ
ছবি: ভোরের আকাশ

নামে গোল ফল হলেও দেখতে মোটেও গোল নয়, তবে স্বাদে একেবারেই অনন্য। সুন্দরবনে জন্ম নেওয়া এই ব্যতিক্রমী ফল এখন উপকূল পেরিয়ে পর্যটকদের নজর কাড়ছে। বাগেরহাটের ঐতিহাসিক ষাট গম্বুজ মসজিদ এলাকায় বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি হচ্ছে গোল ফল, প্রতিটি ফলের দাম মাত্র ১০ টাকা।

জানা গেছে, গোলপাতার গাছে ভাদ্র-আশ্বিন মাসে ফুল ফোটে এবং কার্ত্তিক-অগ্রহায়ণ মাসে তা ফলে রূপ নেয়। ফলের বাইরের অংশ শক্ত হলেও ভেতরে থাকে লিচুর মতো নরম শাঁস, যা খাওয়ার উপযোগী। সামান্য লবণ ও হালকা মিষ্টির ছোঁয়ায় এর স্বাদ আরও বাড়ে, যা অনেক পর্যটকের কাছেই নতুন ও আকর্ষণীয়।

উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের কাছে গোল ফল পরিচিত হলেও দেশের অন্যান্য জেলার মানুষের কাছে এটি এখনও অনেকটাই অপরিচিত। ফলে পর্যটনের মৌসুমে এর চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। শুধু সুন্দরবন নয়, উপকূলীয় এলাকার নিচু জমি ও বসতবাড়ির আঙিনাতেও গোলপাতার গাছ দেখা যায়। সেখান থেকেই ব্যাপারিরা ফল সংগ্রহ করে বাজারে সরবরাহ করছেন।

ষাট গম্বুজ মসজিদে ঘুরতে আসা পর্যটকদের কাছে গোল ফল এখন বাড়তি আকর্ষণ হয়ে উঠেছে। অনেকেই নিজেরা খাওয়ার পাশাপাশি পরিবারের জন্য বা উপহার হিসেবে এই ফল কিনে নিচ্ছেন। 

এক দর্শনার্থী বলেন, ছোটবেলায় গাছ থেকে পেড়ে গোল ফল খেতাম। এখনকার বাচ্চারা এই ফলের নামই জানে না। ষাট গম্বুজের সামনে গোল ফল দেখলে শৈশবের স্মৃতি ফিরে আসে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, পর্যটনের মৌসুমে ষাট গম্বুজ মসজিদ এলাকায় গোল ফলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি থাকে। অনেক পর্যটক এই ফল উপহার হিসেবেও কিনে নিয়ে যাচ্ছেন, যা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন আয়ের সুযোগ তৈরি করছে।

সুন্দরবনের এই ঐতিহ্যবাহী ফল এখন পর্যটনের হাত ধরে নতুন পরিচয়ে ফিরছে। স্বাদ আর স্মৃতির মেলবন্ধনে গোল ফল হয়ে উঠছে সবার আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু।
 

ভোরের আকাশ/আ.ব

 

পর্যটকসুন্দরবনবাগেরহাট

শেয়ার করুন: