শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

চাঁদপুরে নিলাম ছাড়াই সরকারি ঘেরের মাছ বিক্রির অভিযোগ

চাঁদপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৫ আগস্ট ২০২৬, ৩:৪৫ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

চাঁদপুরের হাইমচরে আদালতের নির্দেশে সরকারি মৎস্য ঘেরের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পাওয়া হাইমচর থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুল হাসানের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের উন্মুক্ত নিয়ম বা নিলাম ছাড়া ঘেরের মাছ বিক্রির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। 

গত ১৫ আগস্ট এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। হাইমচর উপজেলার নীলকমল ইউনিয়নের মাঝের চরে অবস্থিত এই মৎস্য ঘেরটি সরকারি সম্পত্তি হিসেবে চিহ্নিত। সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির ভাই জে আর ওয়াদুদ টিপু দীর্ঘদিন ধরে ঘেরটি নিজেদের দখলে রেখেছিলেন। এ নিয়ে আইনি বিরোধ আদালত পর্যন্ত গড়ালে সম্পত্তিটির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য হাইমচর থানার ওসিকে মাসিক দুই হাজার টাকা সম্মানিতে রিসিভার (Receiver) হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

স্থানীয়দের দাবি, গত ১৫ আগস্ট ওসির প্রত্যক্ষ উপস্থিতিতে জেলেরা ঘের থেকে প্রায় ১২ থেকে ১৪ মণ মাছ আহরণ করেন। যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৫ থেকে ৭ লাখ টাকা।

অভিযোগের বিষয়ে মো. নাজমুল হাসান জানান, ঘেরে কী পরিমাণ পোনা মাছ রয়েছে তা পরীক্ষা করার জন্য জাল ফেলা হয়েছিল এবং সামান্য কিছু মাছ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে কমিটির মাধ্যমে সেই মাছ বিক্রি করে ৩০ থেকে ৩২ হাজার টাকা পাওয়া গেছে। তবে বিক্রির সেই অর্থ এখনো সরকারি কোনো অ্যাকাউন্টে জমা হয়নি বলে তিনি স্বীকার করেন।

হাইমচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমিত রায় জানিয়েছেন, মাছ বিক্রির বিষয়ে তাঁর দপ্তরে কোনো ধরনের নিলামের অফিশিয়াল চিঠি বা দাপ্তরিক তথ্য আসেনি। মাছ বিক্রি হয়ে থাকলে সেই অর্থ কোন কোষাগারে জমা হয়েছে, সে বিষয়েও তিনি কিছু জানেন না।

আরও পড়ুন

পিরোজপুরে বৃক্ষরোপণ ও মাদকবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

​নিয়ম অনুযায়ী সরকারি সম্পত্তির যেকোনো মাছ উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করে প্রাপ্ত সম্পূর্ণ অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার বিধান থাকলেও, এই ঘটনায় সেই নিয়মের ব্যত্যয় ঘটেছে বলে স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে।

ভোরের আকাশ/রই


 

অমিত রায়

শেয়ার করুন: