শিরোনাম
ঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

টঙ্গী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলামের বিদায় সংবর্ধনা

মাহবুবুর রহমান জিলানী, টঙ্গী (গাজীপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৩০ জুন ২০২৫, ৪:৪৪ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: ভোরের আকাশ
ছবি: ভোরের আকাশ

টঙ্গী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলামের বিদায় উপলক্ষে কলেজ প্রশাসনের উদ্যোগে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে বিদায় জানানো হয় অধ্যক্ষকে।

সোমবার (৩০ জুন) কলেজ ক্যাম্পাসে এক বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অধ্যক্ষকে বিদায় দেন কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা।

এর আগে, আজ সকাল ৯টায় অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলামকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদানের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়।  পরে ধর্মগ্রন্থ পাঠের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকতার সূচনা ঘটে।

এরপর কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা ফুলেল শুভেচ্ছা জানান বিদায়ী অধ্যক্ষকে। কলেজের বিভিন্ন রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠনের নেতারাও অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলামকে ক্রেস্ট ও ফুল দিয়ে সংবর্ধনা জানান।

দীর্ঘ এক দশক কলেজের প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের পর সরকারি নিয়মে বিদায় নিচ্ছেন অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম।  তার বিদায়ী অনুষ্ঠান ঘিরে কলেজজুড়ে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। এ সময় কলেজের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষকরা বক্তব্য রাখেন।  

উপস্থিত ছিলেন কলেজের বিভাগীয় প্রধান, কলেজের শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ সহ অন্যান্য শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

অনুষ্ঠানে বিদায়ী অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলামের জীবনীভিত্তিক একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।  সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন তার স্ত্রী এবং তার কন্যা প্রজ্ঞা।  কন্যা প্রজ্ঞা বাবা রফিকুল ইসলামের কর্মময় জীবনের নানা দিক তুলে ধরে বলেন, টঙ্গী সরকারি কলেজ যেন আমার বাবাকে মনে রাখেন।  বিভিন্ন সময় অনুষ্ঠানে স্মরণ করেন এটাই চাওয়া। আমার বাবা রফিকুল ইসলাম সম্পর্কিত কলেজে কোন আলোচনা হলে তাকে যেন সম্মানের সাথে স্মরণ করা হয়।

বিদায়ী বক্তব্যে অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম বলেন, “কাল সকালে আর এই কলেজে আসা হবে না।  ড্রাইভারকে ডেকে বলতে হবে না গাড়ি বের করতে।  বেশ কয়েকদিন ধরে কলেজের শিক্ষক শিক্ষার্থীরা বিদায়ী সংবর্ধনা ভালোবাসা দিয়ে আমাকে ঋণী করেছে।  আমি আগেই সবার কাছে ভুলত্রুটির জন্য ক্ষমা চেয়ে নিয়েছি।  কেউ ভুলের ঊর্ধ্বে নয়, সবাই আবারও আমাকে ক্ষমা করে দিবেন।  

তিনি আরও বলেন, এই কলেজকে একটু একটু করে ছোট থেকে বড় হতে আমি দেখেছি। এই কলেজের প্রেমে পড়ে আমি দীর্ঘ ১০ বছর কাটিয়েছি।  ছাত্রনেতারা এবং ছাত্রসমাজ আমাকে কলেজ উন্নয়নে আন্তরিক সহযোগিতা করেছে।  আজকের এই দিনের জন্য সবার কাছে আমি কৃতজ্ঞ থাকবো।”

অনুষ্ঠানের সভাপতি কলেজের উপাধ্যক্ষ ফারজানা পারভীন বলেন, “আমিও আর মাত্র ছয় মাস আছি।  এরপর আমিও স্যারের মতোই বিদায় নেব।  সকলে স্যারের জন্য দোয়া করবেন।  এই কলেজের মান উন্নয়নে স্যারের অতুলনীয় অবদান রয়েছে।

কলেজের অডিটোরিয়াম হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলামের সহধর্মিণী মাহবুবা রহমান, টঙ্গী সরকারি কলেজ শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক ড. আবুল কালাম আজাদসহ কলেজের শিক্ষক, শিক্ষিকা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের পাশাপাশি সাবেক শিক্ষক শিক্ষার্থীরাও উপস্থিত ছিলেন।

ভোরের আকাশ/জাআ

বিদায় সংবর্ধনাটঙ্গী সরকারি কলেজ

শেয়ার করুন: