শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ফেনীতে মা-মেয়েকে ধর্ষণ: ২ জনের যাবজ্জীবন, ১ জনের কারাদণ্ড

ফেনী

প্রকাশ : ৬ জুলাই ২০২৬, ১২:৫৩ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ফেনীর দাগনভূঞায় মা-মেয়েকে ধর্ষণের ঘটনায় দুইজনের যাবজ্জীবন ও একজনের ১০ বছরের জেল দিয়েছেন আদালত।

রোববার (৫ জুলাই) বিকেলে মামলার যাবতীয় কার্যক্রম শেষে ফেনী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এএনএম মোর্শেদ খান এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হচ্ছেন, দাগনভূঞা উপজেলার জায়লস্কর ইউনিয়নের বারাহীগুনী গ্রামের মনু কাজী বাড়ির জয়নাল আবেদীনের ছেলে সাইফুল ইসলাম, একই বাড়ির মৃত মাহমুদ আলীর ছেলে আজাদ ও একই এলাকার জেলে বাড়ির প্রভাত কুমার দাসের ছেলে নিপু কুমার দাস। রায় ঘোষণাকালে আসামি আজাদ ও নিপু দাস কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন

জ্বালানিতে ফিরছে স্বস্তি, বাড়ছে উৎপাদন

সূত্রে জানা গেছে, দাগনভূঞায় ২০১৮ সালের ৮ আগস্ট রাতে কয়েকজন সহযোগী নিয়ে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ করে সাইফুল ইসলাম। এ সময় বাধা দেওয়ায় তার মাকে বাড়ি থেকে বের করে ব্রিজের ওপর এনে ধর্ষণ করে আজাদ ও নিপু নামের দুইজন। ঘটনাটি প্রচারের পর ১১ আগস্ট দাগনভূঞা থানায় তিনজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন প্রবাসীর স্ত্রী। পরে দাগনভূঞা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবদুর রহীম ২০১৯ সালের ২০ জানুয়ারী মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।

ফেনী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট সাহাব উদ্দিন আহমেদ বলেন, এ মামলায় আদালতে সাতজনের সাক্ষী গ্রহণ করা হয়। চলতি বছরের ২৪ মার্চ উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে আজ রায় ঘোষণা করা হয়েছে। ঘটনাটি সন্দেহাতীতভাবে প্রমানীত হওয়ায় আদালত আসামি সাইফুল ও নিপুকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ ও এক লাখ টাকা করে জরিমানা, আজাদকে ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

ভোরের আকাশ/এম

ফেনী

শেয়ার করুন: