শিরোনাম
ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৪৭ বিলিয়ন ডলারঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৪৭ বিলিয়ন ডলারঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠক

চাঁদপুরে আখের বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি

চাঁদপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৩:৪০ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

এক সময় যে জমিতে নিয়মিত ধান ও পাট চাষ হতো, সেখানে এখন সোনালী আখের বাম্পার ফলনে ভরে উঠেছে চাঁদপুরের ফসলের মাঠ। পলি ও দোআঁশ মাটির উর্বরতা এবং আধুনিক জাতের ব্যবহারের ফলে অল্প পুঁজিতে অধিক লাভবান হচ্ছেন এ অঞ্চলের কৃষকরা। 

চলতি মৌসুমে জেলার লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি জমিতে আখের আবাদ হয়েছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে জেলায় ৬৭৭ হেক্টর জমিতে আখ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও বাস্তবে আবাদ হয়েছে ৬৮১ হেক্টরে, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৪ হেক্টর বেশি। জেলার আট উপজেলার মধ্যে চাঁদপুর সদর, ফরিদগঞ্জ, মতলব উত্তর ও হাইমচর উপজেলায় সবচেয়ে বেশি আখ উৎপাদিত হয়। চাষাবাদ হওয়া আধুনিক জাতের আখের মধ্যে স্থানীয়ভাবে জনপ্রিয় ‘চাঁদপুর গেন্ডারী’ ও ‘রং বিলাস’ উল্লেখযোগ্য। এসব জাত সুস্বাদু, পুষ্টিকর এবং বাজারে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

​সরেজমিনে চাঁদপুরের বিভিন্ন ফসলের মাঠে গিয়ে দেখা যায়, সারি সারি মিষ্টি আখে ভরে আছে চারপাশ। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং রোগবালাই কম হওয়ায় কৃষকদের মুখে হাসির ঝিলিক।

​চাঁদপুর সদর উপজেলার ১০ নম্বর মডেল লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের কৃষক বিল্লাল খাঁন নিজের সাফল্যের কথা জানিয়ে বলেন, "আমি এবারই প্রথম ২৪ শতাংশ জমিতে আখ চাষ করেছি। আমার প্রায় ২০ হাজার টাকার মতো খরচ হয়েছে। আবহাওয়া ভালো থাকলে আশা করছি প্রায় ৮০ হাজার টাকার মতো আখ বিক্রি করতে পারব।"

​তবে ভালো ফলন ও লাভের মুখ দেখলেও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে সরকারি সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু আক্ষেপ রয়েছে। স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, সরকারি সুযোগ-সুবিধার বড় অংশ প্রায়শই প্রভাবশালীরা পেয়ে থাকেন, যার সুফল সাধারণ ও প্রান্তিক চাষিরা অনেক সময় পুরোপুরি পান না।

​কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, আধুনিক জাতের আখ চাষ করায় রোগ ও পোকার আক্রমণ অনেক কম হয়, ফলে ফলন ও লাভ দুটোই বেশি পাওয়া যায়। এছাড়া জমিতে জৈব সার ব্যবহারে জমির উর্বরতা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং উৎপাদন টেকসই হচ্ছে।

আরও পড়ুন

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আইনি বাধা নেই: অ্যাটর্নি জেনারেল

এ বিষয়ে চাঁদপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ আবু তাহের বলেন, "মাঠ পর্যায়ে আমাদের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা কৃষকদের নিয়মিত আধুনিক জাতের আখ চাষ এবং জৈব সার ব্যবহারের পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন। কৃষকরা যাতে সহজেই উৎপাদিত পণ্যের নায্যমূল্য পান এবং চাষাবাদ আরও সম্প্রসারিত হয়, সে বিষয়ে আমরা কাজ করছি।"

উপযুক্ত আবহাওয়া, উর্বর মাটি এবং কৃষি বিভাগের সময়োপযোগী পরামর্শের কারণে চাঁদপুরে আখ চাষ দিন দিন একটি লাভজনক কৃষিপণ্য হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে, যা গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

ভোরের আকাশ/রই

মোহাম্মদ আবু তাহের

শেয়ার করুন: