শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

মৎস্যসম্পদ রক্ষায় খাগড়াছড়িতে আফ্রিকান মাগুর জব্দ ও ধ্বংস

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৭ জুলাই ২০২৬, ৫:২৮ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: ভোরের আকাশ
ছবি: ভোরের আকাশ

খাগড়াছড়ি শহরের নিচের বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে সরকারিভাবে নিষিদ্ধ ঘোষিত প্রায় ২৫ কেজি আফ্রিকান মাগুর মাছ জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মাছগুলো ধ্বংস করা হয়।

সোমবার (২৭ জুলাই) সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে উপজেলা মৎস্য দপ্তর ও পুলিশের সদস্যরা অংশ নেন।

খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত জাবিন জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে শহরের নিচের বাজার এলাকায় নিষিদ্ধ আফ্রিকান মাগুর মাছ বিক্রির খবর পাওয়া যায়। এরপর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ও পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে অভিযান চালিয়ে প্রায় ২৫ কেজি মাছ জব্দ করা হয়। জনস্বার্থে সেগুলো ধ্বংস করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন, ১৯৫০-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় বিক্রেতার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বিক্রেতাসহ আশপাশের ব্যবসায়ীদের আফ্রিকান মাগুর, পিরানহাসহ সরকারিভাবে নিষিদ্ধ কোনো মাছ ভবিষ্যতে বিক্রি না করার জন্য সতর্ক করা হয়েছে।

খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সুদৃষ্টি চাকমা বলেন, আফ্রিকান মাগুর অত্যন্ত আক্রমণাত্মক ও রাক্ষুসে স্বভাবের একটি মাছ। এটি জলাশয়ের অন্যান্য দেশীয় মাছ ও জলজ প্রাণীর জন্য বড় হুমকি সৃষ্টি করে এবং স্থানীয় জীববৈচিত্র্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

তিনি জানান, এ কারণেই বাংলাদেশে আফ্রিকান মাগুর মাছের চাষ, পরিবহন ও বিক্রি নিষিদ্ধ। মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন, ১৯৫০-এর আওতায় প্রণীত ২০০০ সালের বিধিমালা অনুযায়ী মাছটি নিষিদ্ধ প্রজাতির তালিকাভুক্ত।

আরও পড়ুন

নীলফামারীতে ২০ হারানো মোবাইল ও ৯ হাজার টাকা উদ্ধার

অভিযানের সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারিয়া সুলতানাও উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, দেশীয় মৎস্যসম্পদ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি নিষিদ্ধ মাছের চাষ, পরিবহন ও বিক্রি বন্ধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রমও চলমান থাকবে।

ভোরের আকাশ/জেআ

মৎস্য অধিদপ্তরখাগড়াছড়িভ্রাম্যমাণ আদালতনিষিদ্ধ মাছ

শেয়ার করুন: