কাশফুলের শুভ্রতায় সেজেছে গাইবান্ধার চর-দ্বীপচর

এসেছে শরৎ। তাইতো কাশফুল ফোটে মুগ্ধতা ছড়িয়েছে প্রাণ প্রকৃতিতে। শরৎ মানেই স্নিগ্ধতা। ষড়ঋতুর এ দেশে ভাদ্র-অশ্বিন দুই মাস জুড়ে থাকে শরৎকাল।
এ সময় চর-দ্বীপচরে গ্রাম,গঞ্জের আনাচে-কানাচে, শহরের রাস্তার ধারে দেখা মেলে কাশফুলের।
নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলায় চড়ে প্রকৃতিতে আগমন ঘটে শুভ্র শরতের। কখনো রোদ, কখনো বৃষ্টি আবার কখনো বা মেঘলা আকাশ। মেঘ-রৌদ্রের লুকোচুরির মাঝে প্রকৃতিতে যেন এক নৈসর্গিক মুগ্ধতা ছড়িয়ে দেয় শরৎ। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে শরৎকালের সেই মাধুর্য এখন আর তেমন খুঁজে পায় না মানুষ।
তাই তো ইট-পাথরের শহর থেকে একটু দূরে গাইবান্ধার ব্রহ্মপুত্রের চর রসূলপুরে শোভা ছড়াচ্ছে শরতের কাশফুল।

শুধু ব্রহ্মপুত্রের চর-দ্বীপচরে নয়, কাশফুলে ছেয়ে গেছে গাইবান্ধার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া তিস্তা, করতোয়া, ঘাঘট, মানস, আলাই ও বাঙালি নদীর দুই ধারে। বিশাল চরাঞ্চল জুড়ে সবুজের বুকে ফুটেছে কাশফুল। নীল আকাশে সাদা মেঘের সঙ্গে নদীপাড়ে শুভ্র কাশফুলের মেলবন্ধন কাছে টানে প্রকৃতিপ্রেমীদের।
আর তাই শরৎসঙ্গী কাশফুলের নরম ছোঁয়া নিতে এখানে প্রিয়জনদের সঙ্গে নিয়ে বেড়াতে আসেন সৌন্দর্য-পিপাসুরা।
গাইবান্ধা শহরের কলেজপাড়া থেকে ঘুরতে আসা হীরণ চন্দ্র বর্মণ বলেন, শরৎ মানেই কাশফুল, নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা যেমন মনকে দোলা দেয়, তেমনি বাতাস সাদা কাশফুলকে নাড়িয়ে দেওয়ার দৃশ্যও মনকে আকৃষ্ট করে। তবে দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে এই সৌন্দর্য। শেষ বিকেলের সূর্যের সাথে কাশফুল অনেক মুগ্ধ করেছে।
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর থেকে ঘুরতে আসা নাহিদ মিয়া নামের এক যুবক বলেন, আমরা বন্ধুরাসহ প্রতিবছরই এখানের কাশফুলের সৌন্দর্য দেখতে আসি। এখানে আসলেই মন ভালো হয়ে যায়। শরতের এই কাশফুল আমাদের শৈশবের স্মৃতি মনে করিয়ে দেয়।
ভোরের আকাশ/মো.আ.