শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধান শিক্ষক ছাড়াই চলছে ছাগলনাইয়ার ২৩ প্রাথমিক বিদ্যালয়

ফেনী প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২২ আগস্ট ২০২৬, ৪:২২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

ফেনীর ছাগলনাইয়ায় প্রধান শিক্ষক ছাড়াই চলছে ২৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কার্যক্রম। 

প্রতিষ্ঠান পরিচালনা ও পাঠদানের গুরুত্বপূর্ণ এই পদে দীর্ঘদিন স্থায়ী নিয়োগ না থাকায় উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থা সংকটে পড়েছে। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকরা একদিকে নিয়মিত পাঠদান, অন্যদিকে দাপ্তরিক দায়িত্ব সামলাতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন। এর প্রভাব পড়ছে শিক্ষার গুণগত মানেও।

শিক্ষাসংশ্লিষ্টরা বলছেন, বছরের পর বছর ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক দিয়ে বিদ্যালয় পরিচালনা কোনো স্থায়ী সমাধান নয়। এতে প্রাথমিক শিক্ষার ভিত্তি দুর্বল হওয়ার পাশাপাশি প্রশাসনিক কার্যক্রম ও একাডেমিক তদারকিও ব্যাহত হচ্ছে। একজন সহকারী শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়ায় তাঁকে নিয়মিত ক্লাস নেওয়ার পাশাপাশি দাপ্তরিক কাজও করতে হচ্ছে। ফলে তাঁর নির্ধারিত পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে এবং অন্য শিক্ষকদের ওপরও অতিরিক্ত পাঠদানের চাপ তৈরি হচ্ছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, ছাগলনাইয়ার ৭৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ২৩টিতেই প্রধান শিক্ষক নেই। এসব বিদ্যালয়ের কার্যক্রম ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে।

সূত্র অনুযায়ী, রাধানগর ইউনিয়নের ১৫টি বিদ্যালয়ের মধ্যে ৮টিতে, পাঠাননগর ইউনিয়নের ১৮টির মধ্যে ৪টিতে, মহামায়া ইউনিয়নের ১১টির মধ্যে ৩টিতে, পৌরসভার ১২টির মধ্যে ২টিতে, শুভপুর ইউনিয়নের ১২টির মধ্যে ২টিতে এবং ঘোপাল ইউনিয়নের ১০টি বিদ্যালয়ের মধ্যে ৪টিতে প্রধান শিক্ষক নেই।

বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির ছাগলনাইয়া উপজেলা শাখার সিনিয়র সভাপতি ও পৌরসভার মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাকির হোসেন সোহাগ বলেন, ‘মামলা জটিলতার কারণে ২০০৯ সালের পর থেকে প্রধান শিক্ষক পদে পদায়ন বন্ধ রয়েছে। এতে বিদ্যালয়গুলো নানা সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে। সরকারের কাছে প্রত্যাশা, দ্রুত প্রধান শিক্ষক পদে জনবল নিয়োগের মাধ্যমে শূন্য পদগুলো পূরণ করা হবে।’

আরও পড়ুন

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশে গাইবান্ধা জেলা কমিটি ঘোষণা

এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু তোয়াব মজুমদার পলাশ বলেন, জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের পদোন্নতি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে একটি মামলা চলমান থাকায় প্রধান শিক্ষক পদে পদায়ন করা হয়নি। মামলাটি নিষ্পত্তি হলে নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হবে।

তিনি আরও বলেন, দ্রুত প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ সম্পন্ন হলে বিদ্যালয়গুলোর কার্যক্রমে গতি আসবে এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। এ বিষয়ে উপজেলার শূন্য পদের তালিকা ও সার্বিক পরিস্থিতি ইতিমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

ভোরের আকাশ/রই

জাকির হোসেন সোহাগ

শেয়ার করুন: