শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

পদোন্নতির দাবিতে ক্লাস পরীক্ষা বর্জন করে নওগাঁয় শিক্ষকদের অবস্থান কর্মসূচি

নওগাঁ প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১৯ নভেম্বর ২০২৫, ১১:৩৫ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: ভোরের আকাশ
ছবি: ভোরের আকাশ

বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের যোগ্য সকল প্রভাষকের (৩২-৩৭ ব্যাচ পর্যন্ত) সহকারী অধ্যাপক পদে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতির জিও জারির দাবিতে টানা তৃতীয় দিনের মতো ক্লাস পরীক্ষা বর্জন করে কর্মসূচী পালন করছেন নওগাঁর বিভিন্ন সরকারি কলেজের শিক্ষকরা।

মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) সকালে নওগাঁ সরকারি কলেজ প্রশাসনিক ভবনের সামনে বিসিএস সাধারন শিক্ষা ক্যাডার প্রভাষক পরিষদ সরকারি কলেজ শাখার উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালিত হয়।

এ সময় শিক্ষকরা সরকারের প্রতি দ্রুত সময়ের মধ্যে দাবি বাস্তবায়নের দাবি জানান। সরকারি অধ্যাপক পদে পদোন্নতির জিও জারির আগ পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন বলেও ঘোষণা দেন।

নওগাঁ সরকারি কলেজের ইসলামের ইতিহাস বিভাগের প্রভাষক বাবুল আক্তার বলেন, বিধি মোতাবেক অন্যান্য ক্যাডারের কর্মকর্তা ৫ বছরে পদোন্নতি পেয়ে ষষ্ঠ গ্রেডে উন্নীত হলেও বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তারা এখনও এন্ট্রি পদ ৯ম গ্রেডেই রয়েছেন। প্রতি বছর পদোন্নতির জিও জারি হবার কথা থাকলেও গত দুই বছর ধরে প্রভাষকদের পদোন্নতির কোনো জিও জারি হয়নি।

আমলাতান্ত্রিক সদিচ্ছার অভাব ও বিভিন্ন অজুহাতের কারণে বারবার সময়ক্ষেপণের ফলে শিক্ষা ক্যাডারের প্রভাষকবৃন্দ পদোন্নতির স্বাভাবিক সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এর ফলে পদোন্নতিযোগ্য প্রভাষকরা আর্থিক, সামাজিক ও মানসিকভাবে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। আমরা অতিসত্বর পদোন্নতির সরকারি প্রজ্ঞাপন জারিসহ বৈষম্য নিরসনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করছি।

কলেজটির বাংলা বিভাগের প্রভাষক বিলকিস আক্তার বলেন, আমরা কখনো আন্দোলনে আসতে চাইনি, আন্দোলনে আসাটা বরং আমাদের জন্য লজ্জার ব্যাপার। কিন্তু বছরের পর বছর আমরা দীর্ঘ প্রতীক্ষায় ছিলাম বিধি মোতাবেক আমাদের পদোন্নতি হবে।পদোন্নতি পাওয়ার জন্য যেসব যোগ্যতা অর্জন করা দরকার আমরা সবগুলোই অনেক বছর আগেই অর্জন করেছি। এক যুগ পেরিয়ে গেলেও কোন সুখবর আমরা পাইনি।

তিনি আরো বলেন- শিক্ষা শান্তি প্রগতি সবদিক থেকেই পৃথিবীতে বিপ্লব এসেছে। কিন্তু শিক্ষকরা সব সময় অবহেলিত থেকে গেছে। আমাদের ভাগ্যের কোন পরিবর্তন হয়নি। আমরা অনেকটাই হতাশা নিয়ে সময় পার করছি। হতাশ মস্তিষ্ক নিয়ে ভালো পার্টন করানো সম্ভব না। আমরা মনে করি সরকার দ্রুত আমাদের দাবি মেনে নিবে।

ভোরের আকাশ/তা.কা
 

 

দাবিকর্মসূচিশিক্ষকনওগাঁপদোন্নতি

শেয়ার করুন: