শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

দুমকিতে শীতের আগমনে লেপ-তোশক তৈরিতে ব্যস্ত কারিগররা

দুমকী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৮ নভেম্বর ২০২৫, ১১:০৩ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

শীতের প্রথম হাওয়া বইতেই দুমকি উপজেলার জনপদে যেন জমে উঠেছে লেপ তোষক তৈরির উৎসব। সকালবেলা বাতাসে হালকা শীতের ছোঁয়া, আর সেই সঙ্গে ধুনকরদের ব্যস্ততার টুংটাং শব্দ সব মিলিয়ে শীতের আগমনী বার্তা যেন নতুন এক কর্মপ্রাণ পরিবেশ তৈরি করেছে।

কয়েকদিন ধরে শীত একটু বাড়তেই উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে শুরু করে  হাট বাজার সব জায়গাতেই লেপ তোষক তৈরির ধুম পড়ে গেছে। কেউ দোকানে বসে, কেউবা গ্রামের পথে পথে হাঁটাহাঁটি করে পুরনো লেপ খুলে তুলা ধুনিয়ে নতুন মতো সাজিয়ে দিচ্ছেন। ধুনকরদের হাতের টানে পুরনো লেপ তোষক যেন হয়ে উঠছে একেবারে নতুন।

শুক্রবার (২৮ নভেম্বর ) সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, উপজেলার , পিরতলা বাজার,রাজাখালি, বোডঅফিস,কদমতলা,আংগারিয়া,কালবার্ড,লেবুখালি,হাজির হাট,কলবাড়ি,তালুকদার হাট, এসব চিহ্নিত স্থানে এখন প্রতিদিনই ভিড় করছেন ক্রেতারা। তুলা পরিষ্কার করা, ধুনন, কাপড়ে মোড়ানো আর সেলাই সব মিলিয়ে চলছে শীতের মৌসুমী কর্মব্যস্ততা।

সিরামপুর  গ্রামের ধুনকর কালাম বিশ্বাস  জানান,“বছরজুড়েই লেপ তোষকের কাজ করি। তবে শীতের শুরুতেই ব্যস্ততা একটু বেশি থাকে। এবার তুলা আর কাপড়ের দাম খুব বেড়েছে। লেপ তৈরি করতে কাপড় লাগছে গজপ্রতি ৫০ থেকে ৭০ টাকা, তোষকের কাপড় ৫৫ থেকে ১২০ টাকা। গার্মেন্টস্ তুলা কেজিপ্রতি ৫০ থেকে ১৬০ টাকা, আর শিমুল তুলা ৪০০ টাকা। লেপ বানানোর মজুরি ৩০০-৪০০ টাকা, তোষক ২৫০-৩০০ টাকা। এত কিছুর পর আগের মতো লাভ থাকে না।”তিনি আরও বলেন, নতুন লেপ বানানোর চেয়ে অনেকেই এখন পুরনো লেপ খুলে তুলা পরিষ্কার করে নতুন কাপড় দিয়ে বানিয়ে নিচ্ছেন। খরচ কম পড়ায় নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো এই পথেই ঝুঁকছেন।

রাজাখালি  গ্রামের ঝর্না বেগমের কথায়ও সেই বাস্তবতা “নতুন লেপ বানাতে অনেক টাকা লাগে। তাই পুরনো লেপটা ধুনিয়ে কিছু নতুন তুলা মিশিয়ে বানিয়ে নিলাম। এতে খরচও কম, আর কাজও বেশ ভালো হয়েছে।

অন্যদিকে বিক্রেতাদের কাছেও দেখা মিলছে বাজারের ভিন্ন রূপ।  লেপ তোষক বিক্রেতা সেলিম  জানান,“তুলার দাম আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। তাই লেপ তোষকের দামও বাড়ছে। ফলে অনেক ক্রেতা এখন লেপের বদলে কম্বল কিনে নিচ্ছেন। বাজারে দেশি-বিদেশি নানা ধরনের কম্বল পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষ করে কিছু চায়না কম্বল তুলনামূলক সস্তা হওয়ায় সেগুলোর চাহিদা বেশি।”

শীত বাড়ছে, আর তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ধুনকরদের ব্যস্ততা। শীত নিবারণের প্রয়োজনীয়তা যেমন আছে, তেমনি জীবিকার লড়াইও আছে এর সঙ্গে। শীতের প্রথম প্রহরেই তাই লেপ তোষকের দোকানগুলোতে জমে উঠেছে মৌসুমী রঙ, গন্ধ আর মানুষের কোলাহল যা দুমকি উপজেলায়  শীতের এক বিশেষ দৃশ্যপট হয়ে প্রতি বছরই ফিরে আসে।

ভোরের আকাশ/মো.আ.

 

লেপ-তোশকপটুয়াখালী

শেয়ার করুন: