শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

মুকসুদপুরে ২৬ বছরেও নির্মিত হয়নি বর্জ্য ফেলার স্থায়ী ভাগাড়

মুকসুদপুর (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৯ আগস্ট ২০২৬, ১:৪৫ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ভোরের আকাশ
ভোরের আকাশ

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর পৌরসভায় প্রায় ২৬ বছরেও তৈরি হয়নি, বাসা-বাড়ি ও বাজারের বর্জ্য ফেলার স্থায়ী কোনো ব্যবস্থা। পৌর সদরের বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে সংগ্রহ করা বর্জ্য ফেলা হচ্ছে উন্মুক্ত জায়গায়, অস্থায়ী ভাগাড় হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে কুমার নদী। যেখানে সেখানে বর্জ্য ফেলায় দুর্গন্ধে ওই এলাকার জনজীবন অসহনীয় হয়ে উঠেছে। বর্তমানে ৪নং ওয়ার্ডের চন্ডিবর্দী কুমার নদীর পাশে ফেলা হচ্ছে বর্জ্য। পৌর কর্তৃপক্ষের এমন উদাসহীনতা কান্ডে ক্ষুদ্ধ এলাকাবাসী।

জানাযায়, ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠিত মুকসুদপুর পৌরসভাটি গ শ্রেনীভুক্ত থেকে খ শ্রেনীতে উত্তির্ন করা হলেও পৌর কর্তৃপক্ষ স্থায়ী ভাগাড় স্থাপনের কোন উদ্যোগ গ্রহন করেনি। প্রায় ৫/৭ বছর ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের পাশে বর্জ্য ফেলা হতো। পরে গোপিনাথপুর আটাডাঙ্গা বাওড়ে এবং বর্তমানে টেংরাখোলা বাজারের চন্ডিবর্দী কুমার নদে ফেলা হচ্ছে বর্জ্য ময়লা।

স্থানীয়রা জানান, প্রতিদিন পৌরসভার গাড়িতে বর্জ্য এনে নদীতে ফেলা হচ্ছে। এতে নদীর পানিতে বর্জ্য মিশে নদীর পানি নষ্ট হয়ে রোগ জীবানু ছড়াচ্ছে। আপরদিকে দুর্গন্ধে পথচারীদের নাক চেপে চলতে হচ্ছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, ঝড়-বাতাস শুরু হলে এ ময়লা স্তুপ বাতাসে উড়ে সারা বাজার ছড়িয়ে পড়ে । আর বৃষ্টি হলে পচন ধরে মারাত্বক দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয়। ওই এলাকায় চলাচলকারী উত্তম কুমার জানান, দুর্গন্ধে বাজারের ব্যবসায়ীদের দোকানপাট চালাতে কষ্ট হচ্ছে। পথচারীরা বেশিরভাগ সময় কাপড় মুখে দিয়ে চলাফেরা করে। পাশে রয়েছে একটি স্কুল ও একটি মসজিদ যেখানে তারা বাধ্য হয়ে চলাফেরা করছেন। অনেকে অন্যপথ দিয়ে চলাচল করছেন।

টেংরাখোলা বাজারে ব্যবসায়ী হাসান মোল্যা জানান বাজারে  জবাই করা গরুর বর্জ্য আর ফল পঁচা সবজির মিশে মারাত্মক গন্ধ সৃস্টি হয় বাতাস এলেই দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করে পুরো এলাকা চলাচল করা দায় হয়ে যায়।

আরও পড়ুন

দেবকে নিয়ে মন্তব্য করে আলোচনায় জিৎ

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রায়হান ইসলাম শোভন বলেন উন্মুক্ত  স্থানে বর্জ্য ফেললে ওই বর্জ্য থেকে নানা ধরনের রোগ জীবানু  ছড়িয়ে পড়তে পারে সেই সংগে ওই বর্জ্যর উপর মাছি পড়লে সেই মাছি খাবারে গেলে বিভিন্ন  রোগে আক্রান্ত হতে পারে। এসব বর্জ্য শুধু মানুষ নয় বিভিন্ন প্রানী আক্রান্ত হতে পারে।

এ বিষয়ে মুকসুদপুর পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদ আশিক কবির বলেন, খাস জমিতে ময়লা ফেলার ভাগাড় তৈরি করার জন্য চিঠি পেয়েছি। খাস জমি নির্বাচন প্রক্রিয়া চলছে, দ্রুত কাজ শুরু হবে। এছাড়াও পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে ময়লা ফেলার বড় ডাস্টবিন করা হবে।

ভোরের আকাশ/ইউএম

মুকসুদপুর পৌরসভা

শেয়ার করুন: