শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

মাগুরায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন

মাগুরা প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৮:০৭ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি-ভোরের আকাশ
ছবি-ভোরের আকাশ

মাগুরা জেলায় যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬। দিবসটি উপলক্ষে সকাল ৯টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে একটি প্রভাতফেরি র‍্যালি বের হয়। র‍্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে নোমানী ময়দানে গিয়ে শেষ হয়।

পরে জেলা অডিটোরিয়ামে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মহান শহিদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ এবং মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, শিক্ষার্থী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ মনোয়ার হোসেন খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন মোঃ হাবিবুর রহমান ও ডা. মোঃ শামীম কবির। সভাপতিত্ব করেন মোঃ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ।

আলোচনা সভায় বক্তারা ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে আত্মদানকারী শহিদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তারা বলেন, ভাষা আন্দোলন বাঙালির ইতিহাসে এক গৌরবময় অধ্যায়। মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠায় শহিদদের আত্মত্যাগ জাতিকে চিরকাল অনুপ্রাণিত করবে। নতুন প্রজন্মের মাঝে ভাষা আন্দোলনের চেতনা ছড়িয়ে দিতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলেও বক্তারা উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানের শেষপর্বে চিত্রাঙ্কন, আবৃত্তি ও রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। পরে স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়, যা উপস্থিত দর্শকদের মুগ্ধ করে। ভাষা শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা নিবেদনের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী কর্মসূচি তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে।

ভোরের আকাশ/এসএইচ

মাগুরা

শেয়ার করুন: