পার্বতীপুরে ৭নং মোস্তফাপুর ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয় ১নং ওয়ার্ডে পুনঃস্থাপনের দাবি

দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার ৭নং মোস্তফাপুর ইউনিয়ন পরিষদের মূল কার্যালয় ১নং ওয়ার্ডে পুনঃস্থাপনের দাবি জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে আবেদন করেছেন স্থানীয় গ্রামবাসী।
বুধবার (৮ অক্টোবর) মোস্তফাপুর ইউনিয়নের গ্রামবাসীর পক্ষে মো. জোনাব আলী মণ্ডল স্বাক্ষরিত আবেদনটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে দেওয়া হয়।
আবেদনে বলা হয়, দীর্ঘদিনের জানা ও স্থানীয়ভাবে বিদ্যমান প্রমাণ অনুযায়ী, ৭নং মোস্তফাপুর ইউনিয়ন পরিষদের মূল পুরাতন বোর্ড অফিস ১নং ওয়ার্ড এলাকায় অবস্থিত ছিল। ওই স্থানে এখনো পুরাতন ইউনিয়ন পরিষদ বোর্ড অফিসের স্থাপনা চিহ্ন বিদ্যমান রয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, পরবর্তীতে কোনো এক সময়ে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যকরী কার্যালয় ১নং ওয়ার্ডের বাইরে অন্য একটি ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়। তবে এ স্থানান্তরের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট সরকারি আদেশ, অনুমোদন, কারণ ও বৈধ প্রক্রিয়া সম্পর্কে স্থানীয় জনগণ অবগত নন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
আবেদনে আরও বলা হয়, বিষয়টি সুষ্ঠুভাবে যাচাইয়ের জন্য সরকারি নথিপত্র ও রেকর্ড পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয় স্থানান্তরের প্রক্রিয়া আইনানুগভাবে সম্পন্ন হয়েছিল কি না, সেটিও তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সাবেক চেয়ারম্যান মো. মতিয়ার রহমান জায়গা অধিগ্রহণের চেষ্টা করলে দাতা সদস্যদের রেখে তৎকালীন এমপির ফোন পেয়ে পার্বতীপুর থেকে চলে যান। পরে চেয়ারম্যান মো. ছাবিনুর আলম ওই পারিবারিক সম্পত্তিতে আওয়ামী লীগের ছত্রছায়ায় অধিগ্রহণ করেন এমন অভিযোগও আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের স্বতন্ত্র সত্যতা যাচাই করা যায়নি।
আবেদনকারীদের দাবি, সরকারি নথি, আইন, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা এবং স্থানীয় জনগণের ন্যায্য অধিকার ও ঐতিহাসিক অবস্থান যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। একই সঙ্গে প্রয়োজন হলে ৭নং মোস্তফাপুর ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয় ১নং ওয়ার্ডে পুনঃস্থাপনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
আবেদনকারী মো. জোনাব আলী মণ্ডল বলেন, আমরা কারও বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত অভিযোগ করছি না। সরকারি নথি ও আইন অনুযায়ী প্রকৃত বিষয়টি যাচাই করে ইউনিয়ন পরিষদের ঐতিহাসিক কার্যালয়ের অবস্থান নির্ধারণের দাবি জানাচ্ছি।
ভোরের আকাশ/ এনউব