শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ভালোবাসার টানে ফেনীতে ফিলিপাইন তরুণী

ফেনী প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৫ মার্চ ২০২৬, ৪:৫১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- ভোরের আকাশ
ছবি- ভোরের আকাশ

ফিলিপাইন থেকে ফেনীতে এসে ভালোবাসার টানে জীবনযাত্রার নতুন অধ্যায় শুরু করলেন জেনি (৩২)। কাজের সূত্রে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতার-এ পরিচয় হয় নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার দরাপনগর গ্রামের হিরলাল পালের ছেলে সুজন পালের (৩৪) সঙ্গে। 

পরিচয় থেকে গড়ে ওঠে বন্ধুত্ব, আর বন্ধুত্বের ফল হিসেবে জন্ম নেয় ভালোবাসা। দীর্ঘ সম্পর্কের পর তারা একে অপরকে জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নেন। তাদের ভালোবাসার পরিণতি বাস্তবায়িত হয় ফেনীর ফেনী কালি মন্দির-এ হিন্দু ধর্মীয় রীতিতে অনুষ্ঠিত বিয়ের মাধ্যমে।

নবদম্পতি খুশি প্রকাশ করেছেন, এবং ভিনদেশি পাত্রীর আগমনে এলাকায় তৈরি হয়েছে বাড়তি আগ্রহ ও উৎসাহ। পাত্র সুজন পাল বলেন, “জেনির সঙ্গে পরিচয় থেকে ভালোবাসা গড়ে ওঠার পর আমরা সবসময় একে অপরকে বুঝতে এবং পাশে থাকতে চেয়েছি। আজ আমাদের ভালোবাসার পরিণতি পূরণ হলো, এটা আমাদের জীবনের সবচেয়ে সুখের মুহূর্ত।”

ভিনদেশী জেনি বলেন, “ফেনীতে এসে সবকিছু নতুন হলেও, সুজনের সঙ্গে এই জীবন শুরু করতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আমাদের এই সম্পর্কের গল্প হয়তো অনেকের জন্য অনুপ্রেরণা হতে পারে।”

আত্নীয়-স্বজনরা জানায়, “সুজন আর জেনির ভালোবাসা সত্যিই প্রশংসনীয়। তারা একে অপরকে বেছে নিয়েছে, আমরা সবাই তাদের পাশে আছি। আশা করি তারা সুখী দাম্পত্য জীবন কাটাবে।”

মন্দিরের পুরোহিত শ্রী নীমাই চন্দ্র চক্রবর্তী বলেন,  “আজকের এই বিয়ের অনুষ্ঠান খুবই আনন্দদায়ক। সুজন ও জেনি দুজনেই দায়িত্বশীল এবং পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আমরা আশা করি তাদের দাম্পত্য জীবন শান্তি ও সুখে ভরপুর হবে।

ভোরের আকাশ/ র.ই
 

ফেনীজেনি

শেয়ার করুন: