শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ঘোড়াঘাটে শীতের আগমনী বার্তায় ব্যস্ত লেপ তোষকের কারিগররা

ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১৭ নভেম্বর ২০২৫, ৪:০১ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: ভোরের আকাশ
ছবি: ভোরের আকাশ

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলায় শীতের আগমন বার্তায় লেপ-তোষকের কারিগররা ব্যস্ত হয়ে উঠেছেন। শীতের আগমনী বার্তাকে আরও স্পষ্ট করেছে। একইসাথে শেষ রাত থেকে অনুভূত হচ্ছে হালকা ঠান্ডা ও সামান্য কুয়াশাচ্ছন্ন পরিবেশ। হেমন্তের শেষে কার্তিক মাসের শুরুতে বইছে শীতল হাওয়া। ভোরের আকাশে ঘনকুয়াশায় যেন শীতের দেখা মিলছে। দিনে গরম আর সন্ধ্যা নামার সাথে সাথে পড়ছে ঘনকুয়াশার ফুলঝুরি।

দেশের উত্তরের জনপদ দিনাজপুরে হেমন্তের শেষ হতে না হতেই শীতের বুড়ি এসে যেন জবরদখল করে নিচ্ছে প্রকৃতিতে। বিভিন্ন হাট-বাজারে বিক্রির জন্য লেপ-তোষক তৈরি করে মজুদ করছেন তারা। লেপ-তোষকের চাহিদা দিন দিন বাড়তে থাকায় তা বিক্রিও শুরু হয়ে গেছে।

সরজমিনে জানা গেছে, কাপড় ও তুলার মান বুঝে লেপ-তোষকের দাম নির্ধারণ করা হয়। বর্তমানে ৪/৫ হাত লেপ-তোষক ১০০০ টাকা থেকে ১২০০শত টাকা দরে বিক্রি হয়। কারিগররা প্রতিটি লেপের মজুরি বাবদ পান ২০০ থেকে ৩০০ টাকা। তবে কাপড় ও তুলার দাম বেশি হওয়ায় এ বছর লেপ-তোষকের দাম একটু বেশি। তারপরও চাহিদার কমতি নেই। বেশী শীত হওয়ায় ইতিমধ্যে এ উপজেলায় শীত পড়তে শুরু করেছে। রাত ১০টার পর থেকে সকাল পর্যন্ত বর্তমানে ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে। সন্ধ্যার পর থেকে কুয়াশাও ঝরছে।

এ সময় গরম কাপড় ব্যবহার না করে রাতে ঘুমানো যায় না। লোকজন তাই নিজের ও পরিবারের সদস্যদের জন্য লেপ-তোষক সংগ্রহ করছেন। এলাকার রিতি হিসাবে নতুন মেয়ে জামায়কে শীত এলে নেপ তোষক দিতে হয়। সে সাথে চাহিদা বেরেছে লেপ-তোষক তৈরির কাজ। উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে গড়ে উঠেছে অস্থায়ী লেপ-তোষক তৈরির দোকান। এ কাজে নিয়োজিত কারিগর বিপ¬ব জানান, এ বছর শীতের তীব্রতা প্রথম থেকেই একটু বেশি হওয়ায় গত কয়েক বছরের চেয়ে এ বছর কাজের চাপ বেশি। এ সময় লোকজন বাড়িতে ব্যবহারের জন্য লেপ- তোষক তৈরি করতে আসছেন। ঘোড়াঘাট উপজেলায় প্রায় ৩০ থেকে ৪০টি লেপ-তোষকের দোকান রয়েছে। এ সব দোকানের কারিগররা এখন খুবই ব্যস্ত সময় পার করছেন।

ভোরের আকাশ/জাআ

ঘোড়াঘাটদিনাজপুর

শেয়ার করুন: