শিরোনাম
ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৪৭ বিলিয়ন ডলারঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৪৭ বিলিয়ন ডলারঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠক

বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তৃতীয় ইউনিটে আবারও শুরু বিদ্যুৎ উৎপাদন

পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৫ জুন ২০২৬, ৩:০৩ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন তৃতীয় ইউনিট দীর্ঘ ২৯ দিন বন্ধ থাকার পর পুনরায় চালু হয়েছে। 

মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাত ৯টা ৩২ মিনিট থেকে ইউনিটটি বিদ্যুৎ উৎপাদনে যায়। বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে গত ২৫ মে তৃতীয় ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। এর আগে ২০২৪ সালের ১ নভেম্বর থেকে দীর্ঘ সময় ইউনিটটি বন্ধ ছিল। ২০১৭ সালে চালু হওয়া এই ইউনিটটি বিভিন্ন সময়ে যান্ত্রিক সমস্যার কারণে উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে।

বর্তমানে বিদ্যুৎকেন্দ্রটির ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার প্রথম ইউনিট এবং ২৭৫ মেগাওয়াটের তৃতীয় ইউনিট চালু রয়েছে। প্রথম ইউনিট থেকে প্রায় ৬৫ মেগাওয়াট এবং তৃতীয় ইউনিট থেকে প্রায় ১৭০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে।

সূত্র জানায়, বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রটি ২০০৬ সালে দুটি ইউনিট নিয়ে উৎপাদনে আসে। পরবর্তীতে ২০১৭ সালে তৃতীয় ইউনিট যুক্ত করা হয়। তবে বিভিন্ন সময়ে কারিগরি জটিলতার কারণে কেন্দ্রটির উৎপাদন সক্ষমতা অনুযায়ী বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হয়নি।

আরও পড়ুন

নওগাঁর ভরাট খাল পুনর্খননের কাজ শুরু

প্রধান প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিক জানান, তৃতীয় ইউনিটের সমস্যা সমাধান করে পুনরায় উৎপাদনে আনা হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, সামনে এটি থেকে নিয়মিত বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

এদিকে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহ আলম জানান, কয়লা সংরক্ষণ ও ইয়ার্ড ব্যবস্থাপনার সমস্যা সমাধানে কাজ চলছে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে ভবিষ্যতে বিদ্যুৎ উৎপাদন আরও স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ভোরের আকাশ/ র.ই

পরমাণু বিদ্যুৎ উৎপাদনশাহ আলম

শেয়ার করুন: