নীলফামারীর পর্নোগ্রাফি মামলার প্রধান আসামি বগুড়া থেকে গ্রেফতার

নীলফামারীর ডিমলা থানায় দায়ের হওয়া একটি পর্নোগ্রাফি মামলার প্রধান আসামিকে বগুড়া থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র্যাব-১৩।
র্যাব-১৩ জানায়, ভুক্তভোগীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ এবং গোপনে অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও ধারণের অভিযোগ রয়েছে গ্রেফতারকৃত আসামি মো. শুভ ইসলাম (২০)-এর বিরুদ্ধে। তিনি ডিমলা উপজেলার উত্তর তিতপাড়া (সরদারপাড়া) এলাকার মো. সোলেমান ইসলামের ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগীর ভাই পূর্বে শুভ ইসলামসহ তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। এরপর আসামিরা ভুক্তভোগীর গোপনে ধারণ করা ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিতে থাকে। এর ধারাবাহিকতায় গত ১০ মে ২০২৬ তারিখে দুটি ভিন্ন ফেসবুক আইডি থেকে ভুক্তভোগীর মেজো বোনের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ওই ছবি ও ভিডিও পাঠানো হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর ভাই বাদী হয়ে গত ২০ মে ডিমলা থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ৮(১), ৮(২), ৮(৩) ও ৮(৭) ধারায় মামলা দায়ের করেন। মামলাটির নম্বর-১৫।
মামলার পর থেকেই আসামিদের গ্রেফতারে র্যাব গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে। এরই অংশ হিসেবে সুনির্দিষ্ট তথ্য ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে র্যাব-১৩-এর নীলফামারী ক্যাম্প এবং র্যাব-১২-এর বগুড়া ক্যাম্পের যৌথ আভিযানিক দল বগুড়া জেলার সোনাতলা উপজেলার শিহিপুর গ্রামে অভিযান চালায়। অভিযানে মামলার ১ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি শুভ ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব জানিয়েছে, হত্যা, অপহরণ, ধর্ষণ, পর্নোগ্রাফি, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ দমনে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ভোরের আকাশ/ইউএম