শিরোনাম
সরানো হলো এসআরবি প্রধানকেনারায়ণগঞ্জে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, সড়কে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভদুই মহাসড়ক অচল: শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া-সংঘর্ষ, আহত ৩০পদ্মা-যমুনায় দ্বিতীয় সেতু ও ব্যারেজ নির্মাণ এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীরচারদিন গ্যাস বন্ধের খবর গুজব: পেট্রোবাংলাশাহজালাল রুমিকে চার সপ্তাহের মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ আদালতেরগ্রীষ্মের আগে ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ গ্রিডে যুক্ত করা সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রীনেপালে দুই হেলিকপ্টারের সংঘর্ষে ভারতীয় নাগরিক নিহতসরানো হলো এসআরবি প্রধানকেনারায়ণগঞ্জে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, সড়কে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভদুই মহাসড়ক অচল: শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া-সংঘর্ষ, আহত ৩০পদ্মা-যমুনায় দ্বিতীয় সেতু ও ব্যারেজ নির্মাণ এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীরচারদিন গ্যাস বন্ধের খবর গুজব: পেট্রোবাংলাশাহজালাল রুমিকে চার সপ্তাহের মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ আদালতেরগ্রীষ্মের আগে ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ গ্রিডে যুক্ত করা সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রীনেপালে দুই হেলিকপ্টারের সংঘর্ষে ভারতীয় নাগরিক নিহত

ধামরাইয়ে ২৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ফেল করেছে -২০ জন--পাস করেছে মাত্র ৪ জন

ধামরাই(ঢাকা) উপজেলা প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৩ নভেম্বর ২০২৬, ৪:২০ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ভোরের আকাশ
ভোরের আকাশ

ঢাকার ধামরাইয়ে চাকচিক্য এবং আধুনিক মানের ভবন হলেও যাদবপুর ভুবন মোহন( বি.এম) স্কুল অ্যান্ড কলেজে চলতি এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে চরম বিপর্যয় ঘটেছে। কলেজ শাখায় ৬ জন শিক্ষক থাকলেও পরীক্ষায় ২৪ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন মাত্র ৪ জন, বাকি ২০ জনই অকৃতকার্য হয়েছেন। এতে প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার নেমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ১৬ দশমিক ৬৭ শতাংশে।

গত শনিবার প্রকাশিত এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল থেকে এ তথ্য জানা গেছে। এমন ফলাফলের পর প্রতিষ্ঠানটিতে প্রশাসনিক কার্যক্রম শিক্ষকদের পাঠদান পদ্ধতি ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের যোগ্যতা এবং অভিভাবকদের সাথে শিক্ষকদের মধ্যে সমুন্নয়হীনতা নিয়েও নানা প্রশ্ন উঠেছে।অপরদিকে প্রতিষ্ঠানটিতে অভ্যন্তরিন কোন্দল তো আছেই।

জানা গেছে, ২০১৮ সালে কলেজ শাখা অনুমোদন পাওয়ার পর প্রথম দিকে শিক্ষার মান কিছুটা ভাল হলেও ২০২৪ সালের পর থেকেই কলেজের পড়াশোনার মান একেবারেই নিম্মমূখী। ৩ টি বিভাগে ২০২২ সালেও যে কলেজে শিক্ষার্থীর সংখ্য ছিল প্রায় ৩৩৩জন সেখানে চলতি বছর শিক্ষার্থী রয়েছে মাত্র ১৩ জন। বর্তমানে প্রথম বর্ষে মানবিক শাখায় শিক্ষার্থী রয়েছে মাত্র-৫ জন। বানিজ্য ও বিজ্ঞান শাখায় কোন শিক্ষার্থীই নেই।

অনেকেই বলেছেন, কলেজ শাখায় প্রশাসনিক কাঠামো দুর্বল এবং শিক্ষকদের পাঠদান পদ্ধতি মানসম্মত না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা নিয়মিত ক্লাসে আসে না। অনেক শিক্ষার্থী ক্লাস চলাকালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যস্ত থাকলেও কোন কার্যক্রম গ্রহন করেনি প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষ। যার কারনে সচেতন অভিভাবরা ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। ফলে দিন দিন শিক্ষার্থী সংখ্যা একেবারেই কমে গেছে।

শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং পাঠদানে শিক্ষকদের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা জরুরি বলে সচেতন মহল মনে করেন।

কলেজ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সাল থেকে যাত্রা শুরু করা এই প্রতিষ্ঠানে আগে বিজ্ঞান, মানবিক ও বাণিজ্য বিভাগ চালু থাকলেও বর্তমানে শুধু মানবিক শাখা সক্রিয় রয়েছে। এ বছর কেবল মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীরাই পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করেছিল ।

আরও পড়ুন

পঞ্চগড়ে আগাম আমন ধানে কৃষকের মুখে হাসি, ব্যস্ত কৃষিশ্রমিক

ফলাফল বিপর্যয়ের বিষয়ে কলেজের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আকলিমা আক্তারের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এব্যাপার প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো: আল-মামুন জানান, ও প্রতিষ্ঠানে এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল সন্তোষজনক নয়। আগামীতে শিক্ষার মান এবং সন্তোষজনক ফলাফলের লক্ষ্যে শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠান প্রধানদের নিয়ে কাউন্সেলিং করা হবে। এ রকম যেন ফলাফলে বির্পযয় আর না ঘটে।

ভোরের আকাশ/ এনউব

শেয়ার করুন: