শিরোনাম
ঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে এলো ৩৬ টন জিরা

আশরাফুল ইসলাম সুমন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১ মে ২০২৫, ১২:২৫ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে এলো ৩৬ টন জিরা
আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে এলো ৩৬ টন জিরা

ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ভারতের সঙ্গে স্থলপথে আবারও সক্রিয় হলো আমদানি বাণিজ্য। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে চলতি এপ্রিল মাসে ৪ দফায় মোট সাড়ে ৩৬ টন জিরা আমদানি হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে সাড়ে ১২ টন জিরা নিয়ে একটি ট্রাক আখাউড়া বন্দর অতিক্রম করে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেয়।

কাস্টমস ও বন্দর সূত্রে জানা গেছে, ‘সারা এগ্রো এনিম্যাল’ নামের একটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ওই চালানটি আমদানি করে। 

এর আগে একই মাসে ৩ দফায় আরও ৩টি প্রতিষ্ঠান ভারত থেকে জিরা আমদানি করে। প্রতি কেজি জিরার আমদানি মূল্য ধরা হয়েছে ৩.৫ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪২৭ টাকা। এই আমদানির সিঅ্যান্ডএফ (ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং) দায়িত্বে ছিলেন আখাউড়ার মেসার্স আদনান এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী আক্তার হোসেন। 

আখাউড়া স্থলবন্দরের সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, দীর্ঘদিন বন্দর দিয়ে আমদানি কার্যক্রম স্থবির ছিল। ঈদ উপলক্ষে এবার ৪টি চালানে সাড়ে ৩৬ টন জিরা আমদানির মধ্য দিয়ে আবারও সচল হলো বাণিজ্যিক গতি।

বন্দর সূত্রে আরও জানা যায়, আগাম ঈদ বাজারের চাহিদা মাথায় রেখে এসব মসলা আমদানি করা হয়েছে। তবে সীমান্তের বাণিজ্যকে নিয়মিত রাখতে আরও পণ্যের আমদানি প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ভোরের আকাশ/এসএইচ

শেয়ার করুন: