ওজনে কারচুপি করায় মাছ বিক্রেতাকে ১ লাখ টাকা জরিমানা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ওজন পরিমাপক যন্ত্রে কৌশলে কারচুপি করে ক্রেতাদের কম মাছ দেওয়ার অভিযোগে এক মাছ বিক্রেতাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। বুধবার জেলা শহরের আনন্দবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে কারচুপির কাজে ব্যবহৃত রশি ও রাবারসহ ওই বিক্রেতাকে আটক করা হয়। পরে তিনি কারচুপির বিষয়টি স্বীকার করলে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী এ জরিমানা করা হয়।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পৌরসভার আনন্দবাজার এলাকার মাছের পাইকারি ও খুচরা আড়ত ও দোকানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে মেসার্স সিয়াম মিয়া ইলিশ মাছ বিক্রির দোকানে আপেল মাহমুদ নামে এক মাছ বিক্রেতার ওজন পরিমাপক যন্ত্রে বিশেষ কৌশলে কারচুপির বিষয়টি ধরা পড়ে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি ওজন পরিমাপক যন্ত্রের সঙ্গে রাবার ও রশি যুক্ত করে এর অপরপ্রান্ত গামছার আড়ালে নিজের হাতের কাছে রাখতেন।
এভাবে রশিটি টেনে বা ঢিলে করে বিক্রেতা ইচ্ছেমতো ওজন নিয়ন্ত্রণ করতেন বলে অভিযানে অভিযোগ উঠে। পরে কারচুপির কাজে ব্যবহৃত রশি ও রাবারসহ বিষয়টি শনাক্ত করা হয়। আপেল মাহমুদ কারচুপির বিষয়টি স্বীকার করে ভবিষ্যতে এ ধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার অঙ্গীকার করেন।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী মাছ বিক্রেতা আপেল মাহমুদকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয় ও তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়। এ সময় প্রতিষ্ঠানটিকে সতর্ক করে দেওয়া হয়। ভবিষ্যতে একই ধরনের ঘটনা পুনরায় ঘটলে সর্বোচ্চ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সহকারী পরিচালক ইফতেখারুল আলম রিজভী জানান, ভোক্তার অধিকার রক্ষায় জেলাজুড়ে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ভোরের আকাশ/সু.পা