নোয়াখালীতে জেলা পুলিশের অভিযানে কিশোর গ্যাংয়ের ৫৯ সদস্য আটক

নোয়াখালী জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে কিশোর গ্যাংয়ের ৫৯ সদস্যকে আটক করেছে জেলা পুলিশ। কিশোরদের অপরাধপ্রবণতা রোধ, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার লক্ষ্যে এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
বুধবার (৪ নভেম্বর) নোয়াখালী জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মোঃ আরিফ হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নোয়াখালী জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) এন এম নাসিরুদ্দিনের দিকনির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে জেলার বিভিন্ন থানায় নিয়মিত কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৩ নভেম্বর সকাল ৮টা থেকে ৪ নভেম্বর সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার বিশেষ অভিযানে জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে সর্বমোট ৫৯ জনকে আটক করা হয়।
আটককৃতদের মধ্যে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় ২ জনের বিরুদ্ধে ৩৪ ধারায় প্রসিকিউশন দাখিল করা হয়েছে। এ ছাড়া অবশিষ্ট ৫৭ জনকে অভিভাবকদের উপস্থিতিতে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।
থানা ভিত্তিক অভিযানে হাতিয়া থানায় ২৪ জন (মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় প্রদান)। সুধারাম মডেল থানায় ১০ জন (মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় প্রদান)। চাটখিল থানায় ১০ জন (মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় প্রদান)।কোম্পানিগঞ্জ থানায় ৫ জন (মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় প্রদান)। বেগমগঞ্জ মডেল থানায় ৫ জন (এর মধ্যে ২ জনের বিরুদ্ধে ৩৪ ধারায় প্রসিকিউশন দাখিল এবং বাকিরা মুচলেকায় মুক্ত)। কবিরহাট থানায় ৩ জন (মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় প্রদান)। চরজব্বর থানায় ২ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় প্রদান করা হয়েছে।
নোয়াখালী পুলিশ সুপার জানান,, কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দমনে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি কিশোরদের সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে অভিভাবক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি এবং সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সমন্বয়ে জনসচেতনতা ও সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে।
ভোরের আকাশ/সু.পা