শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

মায়ের ৭ বছরের কারাদণ্ড

পিরোজপুরে হত্যা মামলায় ছেলের যাবজ্জীবন

পিরোজপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ৭:২৭ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

পিরোজপুরের নেছারাবাদে হত্যার পর মোটরসাইকেল চালকের লাশ গুমের ঘটনায় ছেলের যাবজ্জীবন ও মায়ের ৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে পিরোজপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালত। 

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে পিরোজপুর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. মজিবুর রহমান এ আদেশ দেন। 

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- নেছারাবাদ উপজেলার সোহাগদল গ্রামের মো. সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে মো. তাজিম (২৮) এবং স্ত্রী মোসাঃ রেহানা বেগম (৫০)

তাদের মধ্যে মোটরসাইকেল চালককে হত্যার দায়ে ছেলে তাজিমকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং মৃতদেহ গুমের দায়ে তাজিমের মা রেহানা বেগমকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা, আনাদায়ে আরও ৩ মাসের কারাদন্ডাদেশ দেয়। রায় ঘোষণার সময় রেহানা উপস্থিত থাকলেও, তার ছেলে পলাতক রয়েছে। 

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি বিকেলে উপজেলার বয়ারহুলা মোটরসাইকেল ষ্ট্যান্ড থেকে মিলনকে সহ তার মোটরসাইকেল ভাড়া নেয় তাজিম ও আরেক যুবক। এরপর রাতেও বাড়ি না ফেরায় মিলকে বিভিন্ন স্থানে খুঁজতে থাকে তার পরিবার। 

এ সময় তার মোবাইল ফোনটিও বন্ধ থাকে। পরবর্তীতে ১২ ফেব্রুয়ারি নেছারাবাদ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন নিহত মিলনের বাবা শাহাদত বাহাদুর। এরপর ১৪ ফেব্রুয়ারি তাজিমের বাড়ির ল্যাট্রিনের সেফটিক ট্যাংকের মধ্য থেকে নিহত মিলনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। মিলনকে হত্যার পর তাজিম তার মায়ের সহযোগীতায় মৃতদেহটি গুম করেছিল। 

এ ঘটনার পর ৫ জনকে আসামী করে নিহত মিলনের বাবা  শাহাদাত বাহাদুর ওই দিন নেছারাবাদ থানায় একটি মামলা দায়ের করে। এরপর তদন্ত শেষে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। রায় ঘোষণার সময় বিচারক অন্য দুই অভিযুক্তকে মামলা থেকে অব্যহতি প্রদান করেন।

আরও পড়ুন

সংসদ ভবন পরিদর্শনে আসা নিজ কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) আবুল কালাম আকন জানান, দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে রাষ্ট্রপক্ষ অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হওয়ায় বিজ্ঞ আদালত এই রায় প্রদান করেন।

ভোরের আকাশ/ র.ই


 

যাবজ্জীবন কারাদন্ডআবুল কালাম আকন

শেয়ার করুন: