শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

অসহায়ের পাশে সাজ্জাদ পারভেজ

মাসুদ রানা, বরিশাল ব্যুরো

প্রকাশ : ১৭ আগস্ট ২০২৫, ৭:৪৮ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: ভোরের আকাশ
ছবি: ভোরের আকাশ

বরিশালে অসহায় মাসুদ জীবিকার পথ খুঁজে পেল মানবিক সমাজসেবা অফিসার সাজ্জাদ পারভেজের মাধ্যমে। এক সময় ফুলের দোকানে কাজ করতেন মাসুদ, ফুলের মালা গেঁথে সংসার চালাতেন। হঠাৎ তার জীবনে নেমে আসে এক অন্ধকার অধ্যায়। এরপর থেকেই মাসুদ কাজ হারিয়ে পথে পথে ভিক্ষুকের মতো জীবন যাপন করতে বাধ্য হন।

মাসুদের জীবনের অর্ধেক সময় কেটেছে নগরীর সদর রোডের ফুলের দোকানে। গোলাপ হাতে তার চোখে যে আলো ফুটেছিল, তা ছিল স্বপ্ন, আশা এবং কৃতজ্ঞতার রঙে রাঙানো—দীর্ঘ অন্ধকারের পর ভোরের সূর্যের প্রথম কিরণ যেন তার জীবন স্পর্শ করেছিল।

অন্যদিকে বাড়িতে অপেক্ষা করছেন বাকপ্রতিবন্ধী স্ত্রী ও দুই সন্তান, যাদের হাসি আর ক্ষুধা মেটাতে মাসুদকে প্রতিদিন নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হতো।

গোলাপ বিক্রি করাই ছিল তার স্বপ্ন, কিন্তু অর্থের অভাবে সেই স্বপ্ন বহুদিন ধরেই ধুলোর নিচে চাপা পড়ে ছিল।

সম্প্রতি বরিশাল জিলা স্কুলের ফরিদ ভাইয়ের মাধ্যমে মাসুদের সাথে দেখা করেন বরিশাল জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ পারভেজ। তাদের আলোচনা শেষে মাসুদকে একটি আয়ের পথ বের করে দেওয়া হয়।

নগরীর বেলস পার্কের ল্যাম্পপোস্টের নিচে ফরিদ ভাইয়ের সহায়তায় মাসুদকে দেওয়া হয় একটি টেবিল, বসার জন্য একটি টুল এবং বিক্রির জন্য ১০০টি লাল গোলাপ। এখন মাসুদ ফুল বিক্রি করে ৩–৪ শত টাকা দৈনিক আয় করছেন। সেই আয় দিয়ে তিনি প্রতিবন্ধী স্ত্রী ও সন্তানদের জীবনযাপন ও খাদ্য নিশ্চিত করতে পারছেন।

মাসুদ জানান, “আগে ফুলের দোকানে কাজের চাপ অনেক বেশি ছিল। কয়েক বছর আগে মালিকের কারণে কাজ হারানোর পর আমি কোনো কাজ না পেয়ে পথে বসে পড়ি। এখন সমাজসেবা বিভাগের সাজ্জাদ স্যার ও তার পরিচিতদের সহায়তায় আমি আবার জীবিকার পথে ফিরে এসেছি। এখন আর কেউ আমাকে পাগল বলতে পারবে না। আমি নিজেই জীবিকা চালাচ্ছি।”

বরিশাল জেলা সমাজসেবার সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ পারভেজ বলেন, “অসহায় মানুষ দেখলে আমার মন কেঁদে যায়। আমি আমার সামর্থ্য অনুযায়ী তাদের সাহায্য করি। প্রয়োজনে বন্ধু মহলের সাহায্য নিয়েও তাদের জীবনযাত্রা সহজ করার চেষ্টা করি।”

ভোরের আকাশ/জাআ

বরিশালঅসহায়

শেয়ার করুন: