শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

কেরানীহাটে মিষ্টি কারখানায় অভিযান, লাখ টাকা জরিমানা

সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১৮ আগস্ট ২০২৫, ২:২৪ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: ভোরের আকাশ
ছবি: ভোরের আকাশ

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার কেরানীহাট কাঁচাবাজারে মিষ্টি তৈরির একটি কারখানায় অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসময় প্রতিষ্ঠানটির এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

রোববার (১৭ আগস্ট) রাত ৯টায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) খোন্দকার মাহমুদুল হাসানের নেতৃত্বে এবং গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআইর গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত  অভিযানে ধরা পড়ে বহুদিন ধরে চলা একটি মিষ্টি কারখানার নোংরামি।

দেখা যায়, অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে তৈরি করা হচ্ছে মিষ্টি। বারবার পুড়িয়ে কালো হয়ে যাওয়া তেল ব্যবহার করা হচ্ছে। সংরক্ষণ কক্ষে পড়ে আছে লেভেলবিহীন, বাসি ও দুর্গন্ধযুক্ত মিষ্টি। ভয়ংকর তথ্য হলো—নতুন মিষ্টি তৈরিতে ব্যবহার করা হচ্ছিল কাপড়ের রং, পঁচা ও বাসি চিনির সিরা এবং সেখানে জন্মানো পোকামাকড়!

ইউএনও খোন্দকার মাহমুদুল হাসান কারখানার মালিকের প্রতিনিধি আবুল কাসেমকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯-এর ৫২ ও ৫৩ ধারায় এক লাখ টাকা জরিমানা করেন। একইসঙ্গে কারখানার ভিতরে থাকা পোড়া তৈল, নষ্ট সিরা ও বাসি মিষ্টি ধ্বংস করা হয়।  জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান ইউএনও।

স্থানীয় বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "আমরা বছরের পর বছর ধরে এসব মিষ্টি কিনে আমাদের বাচ্চাদের খাইয়েছি, অথচ তারা আমাদেরকে বিষ খাইয়েছে। এত ঘৃণ্যভাবে খাবার বানায় — ভাবতেই শরীর কেঁপে ওঠে!"

আরেকজন বলেন, "এমন অভিযান আরও বারবার হওয়া দরকার। শুধু একটা কারখানা না, পুরো বাজারে আরও অনেকের মিষ্টি দোকানে এসব হয়। প্রশাসনের নজরদারি না থাকায় তারা যা খুশি তাই করে যাচ্ছে।"

ভোরের আকাশ/মো.আ.

খাদ্য সামগ্রীভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানচট্টগ্রাম

শেয়ার করুন: