শিরোনাম
পিংক বাসের জন্য নারী চালক তৈরিতে বিআরটিসির নতুন উদ্যোগসরকারি বাসা থেকে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ভাড়াটিয়া সরানোর নির্দেশপ্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি, তদন্তে কমিটিক্যারিবীয়দের গুটিয়ে ২৭ রানের লিড বাংলাদেশেরজলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সহযোগিতা বাড়াবে বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্যউখিয়ায় ১৪৪ ধারা জারিনভেম্বরে প্যাকেটজাত মসলা ও চা বিক্রি শুরু করবে টিসিবিএইচএসসির ফল শনিবার, যেভাবে জানবেনপিংক বাসের জন্য নারী চালক তৈরিতে বিআরটিসির নতুন উদ্যোগসরকারি বাসা থেকে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ভাড়াটিয়া সরানোর নির্দেশপ্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি, তদন্তে কমিটিক্যারিবীয়দের গুটিয়ে ২৭ রানের লিড বাংলাদেশেরজলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সহযোগিতা বাড়াবে বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্যউখিয়ায় ১৪৪ ধারা জারিনভেম্বরে প্যাকেটজাত মসলা ও চা বিক্রি শুরু করবে টিসিবিএইচএসসির ফল শনিবার, যেভাবে জানবেন

নিষেধাজ্ঞা শেষ হলেও মিলছে না ইলিশ, দুশ্চিন্তায় পিরোজপুরের হাজারো জেলে

পিরোজপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৮:২১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ভোরের আকাশ
ভোরের আকাশ

মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে পিরোজপুরের নদ-নদীতে মধ্যরাত থেকে জাল ফেলতে শুরু করলেও কাঙ্ক্ষিত ইলিশ না পেয়ে হতাশা ও দুশ্চিন্তায় পড়েছেন জেলার হাজার হাজার জেলে। সন্ধ্যা, বলেশ্বর ও কালিগঙ্গা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে জাল ফেললেও আশানুরূপ মাছ পাননি তারা। এছাড়া সরকারি সহায়তার চাল পরিমাণে কম পাওয়ারও অভিযোগ করেছেন অনেক জেলে।

​শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বেলা ১২টা জেলার  জিয়ানগর উপজেলার পাড়েরহাট ইউনিয়নের উমিতপুর গ্রামের জেলেপল্লীতে গিয়ে দেখা যায়, নিষেধাজ্ঞা শেষে মধ্যরাত থেকে নদীতে জাল ফেলে খালি হাতে ও হতাশা নিয়ে বাড়ি ফিরছেন জেলেরা। তাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, নদীতে কাঙ্ক্ষিত ইলিশ তো নেই-ই, দু-একটি পাওয়া গেলেও সেগুলোর আকার অত্যন্ত ছোট। এছাড়া অন্যান্য মাছও তেমন মিলছে না।

​দীর্ঘ ২২ দিন মাছ ধরা বন্ধ থাকায় পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম কষ্টে দিন কাটিয়েছেন এসব প্রান্তিক মানুষ। অবরোধ শেষে নদী থেকে ভালো মাছ পাওয়ার আশায় ধার-দেনা ও সমিতির কিস্তি তুলে সংসার চালালেও এখন মাছ না পেয়ে তাদের কপালে চিন্তার ভাঁজ আরও গভীর হয়েছে।

পারেরহাট ইউনিয়নের উমিতপুর গ্রামের জেলে রাজা হাওলাদার বলেন, দীর্ঘ ২২ দিন মাছ ধরা বন্ধ রেখে সরকারি নিষেধাজ্ঞা পালন করেছি। এ সময় মাত্র ২০ কেজি চাল পেয়েছি। পরিবারে ৬ জন সদস্য, এই চাল দিয়ে সংসার চালানো খুবই কষ্টকর ছিল। অবরোধ শেষে গতকাল রাতে নদীতে গিয়ে মাত্র ৪০০ গ্রামের একটি ইলিশ পেয়েছি।

​আরেক জেলে ফারুক হাওলাদার জানান, অবরোধের সময় মানুষের কাছ থেকে ঋণ করে সংসার চালাতে হয়েছে। কিন্তু নদীতে নেমে কোনো মাছ না পাওয়ায় তেল ও আনুষঙ্গিক খরচের টাকাই ওঠেনি। এই পরিস্থিতিতে পরিবার নিয়ে বড় বিপাকে পড়েছেন তিনি।

​নূর মোহাম্মদ নামের এক জেলে অভিযোগ করে বলেন, সরকার ২৫ কেজি করে চাল দেওয়ার কথা বললেও আমরা পেয়েছি ১৯ কেজির মতো। ইউনিয়ন পরিষদে চাল আনতে গিয়ে পরিবহন খরচও আমাদের পকেট থেকেই দিতে হয়েছে।

আরও পড়ুন

খুলনায় ফুলকুঁড়ি আসরের ৫২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

এ বিষয়ে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সঞ্জীব সন্নামত জানান, নিষেধাজ্ঞা শুরু হওয়ার পর পরই জেলার ২০ হাজার ৯৪৫ জন নিবন্ধিত জেলেকে ২৫ কেজি করে মোট ৫৬৩ মেট্রিক টন চাল বিতরণ করা হয়েছে।

​তিনি আরও বলেন, ইলিশ একটি সামুদ্রিক ও দ্রুতগামী মাছ। অবরোধ শেষ হলেও বর্তমানে দক্ষিণাঞ্চলের নদ-নদীগুলো থেকে ইলিশ মাছ উজানের দিকে চলে যাচ্ছে। তবে আর কিছুদিন গেলে জেলেরা আশানুরূপ মাছ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

​নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখতে এবং মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে জালের অবৈধ বাধ বা ঘেরদিওয়াল নিষিদ্ধ করা জরুরি বলে মনে করছেন ভুক্তভোগী জেলেরা। পাশাপাশি সরকারি সহায়তা আরও বৃদ্ধি ও তা সঠিকভাবে শতভাগ বিতরণের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

শেয়ার করুন: