৮৭ বছরেও হয়নি জালশুকা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাওয়ার রাস্তা

দীর্ঘ ৮৭ বছরেও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাওয়ার নিজস্ব রাস্তা হয়নি। উপজেলার বড়াইল ইউনিয়নের জালশুকা গ্রামে ১৯৩৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় জালশুকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। যার বর্তমান ছাত্রছাত্রী সংখ্যা প্রায় আড়াইশো। কিন্তু বিদ্যালয়টিতে যাতায়তের নিজস্ব কোন রাস্তা নেই; অন্যের বাড়ির ওপর দিয়ে এবং পুকুর পাড় ও নালা ডিঙ্গিয়ে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সকলকে আসা যাওয়া করতে হয়; বর্ষায় এই চলাচল আরো ঝুকিপূর্ন হয়ে উঠে। বর্তমানে পুকুর পাড় ভেঙ্গে যাওয়ায় পাড় দিয়ে যাওয়া-আসার রাস্তার অস্তিত্ব বিলীন।
জালশুকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আরিফুর রহমান বলেন, 'রাস্তা না থাকায় অনেক সমস্যা হচ্ছে, বিশেষ করে বর্ষাকালে।
জালশুকা মোল্লাবাড়ির ইকরামুল হক তামিম জানান, ভূমির রেকর্ডপত্রে বহু আগে থেকেই ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সাদেকপুর ভায়া নবীনগর-ব্রাহ্মণবাড়িয়া সড়ক থেকে স্কুলের পাশ দিয়ে জালশুকা মোল্লাবাড়ি হয়ে একটি রাস্তার উল্লেখ রয়েছে। যা বর্তমানে নালা হিসেবে দৃশ্যমান। মাটি ভরাট করে প্রায় ১ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রাস্তাটি নির্মান করা হলে স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ গ্রামবাসীর দীর্ঘ দিনের দুর্ভোগ লাঘব হবে।
জানা যায়, ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে অনুষ্ঠিত নবীনগর উপজেলা পরিষদের সভায় এদিক দিয়ে নতুন সড়ক নির্মাণের প্রস্তাব করা হয় এবং সেটি এলজিইডি’র রোড ইনভেনটরিতে অন্তর্ভূক্তির লক্ষ্যে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে তথ্যাদি প্রেরণ করা হয়েছে।
গ্রামের তরুন সমাজসেবী আশরাফুল হক রিজেন জানান, তিনি গ্রামবাসীর পক্ষে রাস্তাটি নির্মাণের জন্য এর আগে এলাকার সংসদ সদস্য এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আবেদন করেছেন। কিন্তু রাস্তাটি বাস্তবায়নে কোন পদক্ষেপ দেখতে পাচ্ছেন না।
ভোরের আকাশ/ইউএম