শেরপুরে গলায় ফাঁস দিয়ে কলেজ শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

শেরপুর জেলা শহরের পৌরসভার খরমপুর মহল্লায় ১১মে সোমবার দুপুরে গলায় দড়ি দিয়ে ফাঁসিতে ঝুলে মো. মোবাশ্বির আহমেদ মাহিম (১৮) নামে এক কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে।
মোবাশ্বির আহমেদ মাহিম শেরপুর পৌরসভার খরমপুর মহল্লার বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মোস্তফা কামালের ছেলে।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষার্থী মো. মোবাশ্বির আহমেদ মাহিম ময়মনসিংহ আনন্দ মোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের এইচএসসি ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী।
জানা যায় তার মা সদর উপজেলার হরিণধরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। তিনি প্রতিদিনের মত তার ছেলে মোবাশ্বির আহমেদ মাহিমকে বাসায় একারেখে শিক্ষকতা করতে তার কর্মস্থল বিদ্যালয়ে যান।
এদিকে বিকেল ৪টার দিকে তার মা রওশন আরা কর্মস্থলের ওই বিদ্যালয় থেকে বাসায় এসে দেখেন ভিতর থেকে দরজা লাগানো। পরে তিনি ডাকা ডাকির এক পর্যায়ে ভিতর থেকে কোন সাড়া-শব্দ না পেয়ে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন।
পরে ফায়ার সার্ভিসের লিডার রফিকুল ইসলাম সঙ্গীয় কর্মীদের নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই বাসার দরজা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে দেখেন মোবাশ্বির আহমেদ মাহিম গলায় দড়ি দিয়ে ফাঁস লাগানো এবং লুটিয়ে পড়ে আছে।
খবর পেয়ে শেরপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সোহেল রানা সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থল গিয়ে শিক্ষার্থী মোবাশ্বির আহমেদ মাহিমের লাশ উদ্ধার করে লাশের সূরত হাল রিপোর্ট তৈরি শেষে ময়না তদন্তের জন্য শেরপুর ২৫০শয্যা বিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে।
এ ব্যাপারে শেরপুর সদর থানায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
ভোরের আকাশ/ র.ই