শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

এখনো বাঁশ-বেতের শিল্প টিকিয়ে রেখেছেন প্রতিবন্ধী প্রদীপ দাশ

সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১৬ নভেম্বর ২০২৫, ১২:৪১ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

সীতাকুণ্ডে বাঁশ-বেতের সাথে প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করে টিকে আছে প্রতিবন্ধী প্রদীপ দাশ। উপজেলার হারিয়ে যাওয়া বাঁশ-বেতের তৈরি এ কুটির শিল্পটিকে বাঁচিয়ে রাখছে প্রদীপের রয়েছে নিত্য সংগ্রাম।

সীতাকুণ্ড থানা সংলগ্ন মল্লিক বাড়ির প্রতিবন্ধী এ হস্তশিল্পী বলেন, একসময় আমাদের তৈরি বাঁশ-বেতের নিত্য ব্যবহার্য জিনিসপত্রের প্রচুর বাজার চাহিদা ছিল।

বর্তমানে বিভিন্ন আকৃতির প্লাস্টিক সামগ্রীর পণ্য বাজারজাত হওয়ায় আমাদের তৈরি সামগ্রীর চাহিদা দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। তাতে পেশাগত ভাবে আমরা মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত। তিনি আরও জানান, বাজারে চাহিদা কমতে থাকায় আগের মতো নানা ধরনের জিনিসপত্র তৈরি করা প্রায় ছেড়ে দিয়েছি। ক্রেতাদের পণ্যের চাহিদা দেখেই তৈরির কাজে হাত দিই।

বর্তমানে লাই, খাছি, কুলা ও মাটি কাটার ওড়ার প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ বেশি। অন্যান্য পণ্য তেমন একটা চলে না। উপজেলার বহরপুর গ্রামের বাঁশ-বেতের সাথে সংশ্লিষ্ট হস্তশিল্পী আব্দুল আজিজ বলেন, বাল্য বয়সে বাবা মারা গেলে ভিটে বাড়ি ছাড়া কোনো চাষের জমি না থাকায় পিতার পেশাকেই বেচে নিতে বাধ্য হয় পরিবারটি।

তিনি আরো বলেন, এক সময় উপজেলার বাড়বকুণ্ড, শুকলালহাট, এস.কে.এম, ফকিরহাট, পৌরসদর, এয়াকুবনগর, বহরপুর, ছোট দারোগার হাট, টেরিয়াইল, বড় দারোগারহাট, কুমাদান পাড়া, মহালঙ্কা ও ফেদাইনগর এলাকার
প্রায় তিনশটি পরিবার এ কুটির শিল্পের সাথে সরাসরি জড়িত ছিল।

বাঁশ- বেতের তৈরি স্থানীয় ভাষায় লাই, খাছি, বাঁশের খাঁচা, হাতা, কুলা, মাছের আন্তা, ডুলা, বাঁশের দরজা, বেড়া, মাটি কাটার ওড়া ইত্যাদি হস্তশিল্প তৈরি করে উপজেলার বাড়বকুণ্ড, সীতাকুণ্ড, কুমিরা ও বড় দারোগার হাট বাজারে প্রতি হাটবারে বিক্রয় করতো সংশ্লিষ্ট কুটির শিল্প পেশার পরিবারগুলো।

সীতাকুণ্ড পৌরসদর ব্যবসায়ী ও দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. সাজ্জাদ হোসেন রফিক বলেন, একসময় বাঁশ-বেতের তৈরি পরিবেশবান্ধব এসব হস্তশিল্পের ব্যাপক চাহিদা থাকলেও বর্তমানে সে দিন আর নেই।

এসব হস্তশিল্পের পরিবর্তে এখন প্লাস্টিক পণ্যের অত্যধিক সামগ্রী ব্যবহারে মারাত্মক পরিবেশ বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। তিনি পরিবেশবান্ধব এ হস্তশিল্প রক্ষায় সংশ্লিষ্ট সবার সহায়তা কামনা করেন।

ভোরের আকাশ/মো.আ.

 

বাঁশ ও বেত শিল্পচট্টগ্রাম

শেয়ার করুন: