শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

চট্টগ্রামে শিশু ইরা হত্যাকাণ্ডে মূল আসামি গ্রেপ্তার

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৩ মার্চ ২০২৬, ৭:৩৮ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সাত বছরের কন্যাশিশু ইরার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশ বাবু শেখ নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, তিনি হত্যাকাণ্ডের মূল আসামি।

আজ (মঙ্গলবার) বিকেলে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রাসেল গ্রেপ্তারের বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন।

আজ ভোরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় শিশু ইরার। এর আগে শনিবার সীতাকুণ্ড বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকোপার্কের ভেতর থেকে গলাকাটা অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। এরপর তাকে প্রথমে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরবর্তীতে চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ভুক্তভোগী কন্যা শিশুটি ধর্ষণের শিকার হয়েছিল।

পুলিশ জানায়, শিশুটির বাড়ি কুমিরাতে। আর যে জায়গা থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়েছে, সেখান থেকে তার বাড়ি অন্তত পাঁচ–সাত কিলোমিটার দূরে। সেখান থেকে শিশুটির একা এত দূরে আসা সম্ভব নয়। কেউ হয়তো ফুসলিয়ে শিশুটিকে সেখানে নিয়ে এসেছে।

শনিবার সকালে শিশুটিকে উদ্ধারের সময় তার গলা থেকে রক্ত ঝরছিল। সেখানে সড়কটির সংস্কারের কাজে থাকা শ্রমিকেরা শিশুটিকে আহত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে তাকে উদ্ধার করেন। তাদের পরনের কাপড় দিয়ে গলা পেঁচিয়ে রক্ত বন্ধ করার চেষ্টা করেন। পরে তারা দ্রুত স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

ভোরের আকাশ/এনএস

শিশু হত্যাচট্টগ্রাম

শেয়ার করুন: